প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শেরপুর ও জামাল সড়কের টুল ২০০৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত জনগণের কাছ থেকে মোট কত টাকা টোল আদায় করা হয়েছে? সেই অর্থের কত টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে? আর কত টাকা এখনো অনাদায়ী রয়েছে?
অভিযোগ উঠেছে, টোল আদায় অব্যাহত থাকলেও আদায়কৃত অর্থ যথাযথভাবে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হচ্ছে না। বরং মামলা চলমান থাকার সুযোগ নিয়ে টোল আদায়ের অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। এসব গুরুতর অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক হিসাব প্রকাশ করতে হবে।
মামলা চলমান থাকলেই কি জনগণের কাছ থেকে আদায় করা অর্থের হিসাব দেওয়ার দায়বদ্ধতা শেষ হয়ে যায়? টোলের টাকা কোথায় যাচ্ছে, কারা আদায় করছে এবং আদায়কৃত অর্থ কেনো সরকারের কোষাগারে জমা হচ্ছে না জামালপুর শেরপুরবাসী তার স্পষ্ট জবাব চায়।
টোল আদায়ের নামে কোনো অনিয়ম, অতিরিক্ত অর্থ আদায় কিংবা সরকারি রাজস্ব আত্মসাতের ঘটনা ঘটে থাকলে নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
টোল আদায়ের নামে চাঁদাবাজি আর চলবে না! সাধারণ মানুষকে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা হয়রানি আর চলবে না!
জামালপুর শেরপুরবাসীর দাবি অবিলম্বে টোল আদায়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করা হোক এবং অযৌক্তিক টোলের বোঝা থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্তি দেওয়া হোক।
জনগণের অর্থের প্রতিটি টাকার হিসাব জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। জনগণের অর্থ নিয়ে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তার জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই হবে।
জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার এই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এলাকাবাসীর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে তারা জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন