প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে
দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় প্রতিপক্ষের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে ভৈরব থানার ওসি মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে।
গত ৩ অক্টোবর, শনিবার বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে ওসি মাহবুবুর রহমান তাঁর ব্যক্তিগত বিকাশ নাম্বারে ০১৭১২৬৩৭৪১৮ প্রতিপক্ষ মুর্শেদ মিয়ার নাম্বার থেকে
৩০ হাজার টাকা সেন্ড মানি করা হয়। লেনদেনের ট্রানজেকশন আইডি হিসেবে উল্লেখ রয়েছে DJ32CPB400। ওই লেনদেনের স্কিনসর্ট এই প্রতিনিধির কাছে সংরক্ষিত আছে।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, ৩ অক্টোবর, শনিবার বেলা ১১টার দিকে দুই পক্ষের জায়গা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিপক্ষ মুর্শেদ মিয়ার লোকজন পৌর শহরের কমলপুর মনির কন্টাক্টরে বাড়ি ও দোকানের জায়গা দখল নিতে ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এঘটনায় ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ ও হাবিবুর রহমানের পক্ষ থেকে থানায় ফোন করা করে ভাংচুরের বিষয়ে অবগত করলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে আসতে প্রায় একঘন্টা সময়ক্ষেপন করেন। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলেও রাস্তার পশ্চিমপাশে দাঁড়িয়ে থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনায় থানা পুলিশ যেন ঘটনাস্থলে না আসে প্রতিপক্ষ মুর্শেদ মিয়া ও তাঁর লোকজন ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এবং ওইদিন বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে মুর্শেদ মিয়ার নাম্বার থেকে ওসি মাহবুবুর রহমানের ব্যক্তিগত নাম্বারে ৩০ হাজার টাকা সেন্ডমানি করা হয়।
এদিকে ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ মিয়া জানান, তাদের দখলীয় বাড়ি ও দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে থানা অভিযোগ জমা দিতে গেলে ওসি ওই অভিযোগ গ্রহণ করেনি। প্রায় ১সপ্তাহ ওসির ধারে ধারে ঘুরেও মামলা করতে না পেরে পরবর্তীতে কিশোরগঞ্জ আদালতে মামলা করেন বলে জানান তিনি।
একজন ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগ আমলে না নেওয়া এবং পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ গ্রহণের এমন অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। ঘুষ গ্রহণের ঘটনাটি মানুষের মুখে ছড়িয়ে যাওয়ায় ঘটনার সত্যতা যাচাই ও প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের মাধ্যমে ওসির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করছেন সচেতন মহল।
এবিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমানের মুঠোফোনে কয়েক বার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
এবিষয়ে ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ মুঠোফোনে বলেন, ঘটনাটি শুনেছি বিকাশে টাকা লেনদেন হয়েছে। যদি অভিযোগ আসে, সেটা যে কেউ করতে পারে, আপনিও সাংবাদিক হিসেবে অভিযোগ করতে পারবেন। তখন সেটা বিকাশ কল সেন্টার থেকে স্টেটমেন্ট এনে যাচাই-বাছাই করে যদি ওসির নাম্বার ঘুষ লেনদেন হয়, সেক্ষেত্রে উদ্বর্তন কতৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করবো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন