প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অর্থনৈতিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রে পরিবারের মধ্যম আয় রেকর্ড সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। একই সময়ে, দেশটির দারিদ্র্যের হার ঐতিহাসিকভাবে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্সাস ব্যুরোর নতুন প্রকাশিত তথ্য এই পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরেছে।
সেন্সাস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬৭ সাল থেকে আয় সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ শুরু হওয়ার পর ২০২৫ সালে পরিবারের মধ্যম আয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর পরিবারের আয়ে পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। শ্বেতাঙ্গ পরিবারের মধ্যম আয় ৩ শতাংশ এবং হিস্পানিক নন শ্বেতাঙ্গ পরিবারের আয় ২.৯ শতাংশ বেড়েছে। কৃষ্ণাঙ্গ পরিবারের আয় বেড়েছে ৪.৮ শতাংশ। তবে এশীয় ও হিস্পানিক পরিবারের মধ্যম আয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি।
নারী ও পুরুষের আয়ের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে। ২০২৫ সালে নারীদের মধ্যম আয় ৩.২ শতাংশ বেড়েছে, তবে পুরুষদের আয় সামান্য কমেছে। পূর্ণকালীন ও বছরজুড়ে কাজ করা কর্মীদের ক্ষেত্রে নারীদের আয় পুরুষদের আয়ের ৮৩.৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ২০২৪ সালের ৮০.৬ শতাংশের তুলনায় বেশি।
কর পরিশোধের পর পরিবারের হাতে থাকা আয়ের হিসাবেও বৃদ্ধি দেখা গেছে। ২০২৪ সালে মধ্যম পোস্ট-ট্যাক্স পারিবারিক আয় ছিল ৭৩,৭৬০ ডলার। ২০২৫ সালে তা বেড়ে ৭৬,০৬০ ডলারে পৌঁছেছে, যা ৩.১ শতাংশ বেশি।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে দারিদ্র্যের হারও কমেছে। ২০২৫ সালে সরকারি হিসাব অনুযায়ী দারিদ্র্যের হার ১০.২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগের বছরের তুলনায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্ট কম। চার সদস্যের একটি পরিবারের জন্য ২০২৫ সালের গড় দারিদ্র্যসীমা ৩২,৯৭০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
শিশুদের দারিদ্র্যের হারও ২০২৫ সালে ঐতিহাসিকভাবে সর্বনিম্ন ১৩.৪ শতাংশে নেমেছে। একই সময়ে, হিস্পানিক জনগণের সরকারি দারিদ্র্যের হার কমে ১৩.৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা এই গোষ্ঠীর জন্যও রেকর্ড সর্বনিম্ন।
তবে, কর, সরকারি সুবিধা, আবাসন, কর্মসংস্থান ও চিকিৎসা ব্যয় বিবেচনায় নেওয়া ‘সাপ্লিমেন্টাল পভার্টি মেজার’ অনুযায়ী দারিদ্র্যের হার ১৩.১ শতাংশ ছিল। অর্থাৎ, সরকারি প্রচলিত হিসাবের তুলনায় এই মাপকাঠিতে দারিদ্র্যের হার প্রায় ৩ শতাংশ পয়েন্ট বেশি।
স্বাস্থ্যবিমার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের পরিবর্তন হয়নি। ২০২৫ সালে প্রায় ২ কোটি ৬৭ লাখ মানুষ বা মোট জনসংখ্যার ৭.৯ শতাংশ কোনো স্বাস্থ্যবিমার আওতায় ছিল না। এই হার ২০২৪ সালের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়নি।
২০২৫ সালে সরকারি স্বাস্থ্যবিমার আওতায় ছিল ৩৫.৮ শতাংশ মানুষ। এর মধ্যে মেডিকেয়ার আওতা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে, অন্যদিকে মেডিকেডের আওতা কমেছে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্ট। ১৯ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের সরকারি স্বাস্থ্যবিমার আওতাও কমে ১৭.৩ শতাংশে নেমেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন