প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এ বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন ও ক্লাস শুরুর সময় উন্নীত করা হচ্ছে। শিক্ষাবোর্ডগুলোর নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি সম্পর্কিত অনলাইন আবেদন শুরু হয়ে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলমান থাকবে।
ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর ২৩ সেপ্টেম্বর ক্লাসের কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন গ্রহণ শুরু এবং ভর্তি কার্যক্রম শেষ করার পরিকল্পনা ছিল ১২ নভেম্বর ক্লাস শুরুর জন্য।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উচ্চপর্যায়ের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ সময়সূচি উল্লেখ করে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। বৃহস্পতিবারের (২০ আগস্ট) মধ্যেই মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে অনুমোদন পাওয়ার আশা নিয়ে রয়েছেন তারা।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবারে ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনা করে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।
কয়েক বছর ধরে এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নির্ধারিত ফি দিয়ে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হয়।
পরবর্তীকালে ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে একাদশ শ্রেণির অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে। কারিগরি বোর্ড এবং ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ হাতেগোনা কিছু প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের অধিকাংশ কলেজ ও মাদরাসায় এই সমন্বিত পদ্ধতিতেই শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
ঢাকা শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আবেদনের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি ইচ্ছুক সকলকে আবেদন করতে হবে। যারা ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছেন তাদেরকেও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
তবে পুনর্নিরীক্ষণের পর যাদের ফল পরিবর্তিত হবে, তাদের পুনরায় আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হবে। ১০ সেপ্টেম্বর পুনর্নিরীক্ষণে ফল প্রকাশের কথা রয়েছে।
শিক্ষাবোর্ডগুলোর প্রস্তাব
শিক্ষাবোর্ডগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর যাদের পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তিত হবে তারা আবেদন করতে পারবেন। এভাবে যাচাই-বাছাই হয়ে ২০, ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর ভর্তির কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরু হবে। তবে যারা এ সময়ে ও প্রক্রিয়ায় কোনো কলেজ-মাদরাসা পাবে না অথবা প্রত্যাশিত কলেজ পাবে না কিংবা কোনো কারণে আবেদন করতে পারবে না, ২৩ সেপ্টেম্বরের পরে তাদের জন্যও ভর্তির আবেদনের সুযোগ থাকবে।
এ বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ৪ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন জমা দিয়েছে। এর মধ্যে ১০ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি আবেদন পড়েছে লিখিত (তত্ত্বীয়) পরীক্ষার উত্তরপত্রের জন্য। আর ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতার জন্য আবেদন পড়েছে ২ লাখ ৩১ হাজারের বেশি।
চলতি বছরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ পরীক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গতবার এই পাসের হার ছিলো ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এবার মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। এসএসসি ও সমমানে পাসের হার এবং জিপিএ-৫ কমেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন