প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকরের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন টালিউডের ‘ফাটাকেষ্ট’ খ্যাত অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি প্রয়াত অভিনেতার পরিবার, বন্ধু এবং অসংখ্য ভক্তের প্রতি সমবেদনা জানান।
বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) ভোর ৫টা ২০ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাসভবনে মারা যান নানা পাটেকর। মৃত্যুর পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
বন্ধুর মৃত্যুর ঘটনায় আবেগঘন বার্তা দিয়ে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, ‘আজ আমার যে কী খারাপ লাগছে, তা বলে বোঝাতে পারব না। আমরা জীবনের অনেকটা সময় একসঙ্গে কাটিয়েছি। আমার ক্লোজেস্ট ফ্রেন্ড ছিলেন নানা পাটেকর। আমার সঙ্গে ওর বন্ধুত্বটা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।’
অভিনেতা আরও বলেন, আমরা একসঙ্গে থাকা মানেই শুধু মজা করা, কৌতুক করা। পুরো পরিবেশটাই বদলে যেত নানা থাকলে। সারাদিন নানা বিষয়ে গল্প করতাম আমরা। মন খুলে কথা বলার মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়। নানা ছিলেন আমার তেমন বন্ধু, যার সঙ্গে কথা বলার আগে ভাবতে হতো না।
এ বর্ষীয়ান অভিনেতা বলেন, অভিনেতা হিসেবে নানা পাটেকর কেমন, সেটি আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। দেশের যে কজন ভালো অভিনেতা রয়েছেন, তাদের মধ্যে নানার নাম উপরের দিকেই আসবে। আমি অনেক কিছু শিখেছি ওর কাছ থেকে। এত স্মৃতি আজ মনে পড়ছে যে, কোনটা বলব আর কোনটা বলব না— বুঝতে পারছি না।
মিঠুন চক্রবর্তীর ভাষ্য, ‘নানা মানুষের জন্য, কৃষকদের জন্য যা করেছেন, তা অনেকেই জানেন না। কারণ নানা জানাতে চাননি কখনো। কত যে সাহায্য করেছেন কৃষকদের! নিজের ঘরের টাকা দিয়ে মানুষের উপকার কজন করতে পারেন? নানার মতো মানুষ হয় না।’
অভিনেতা বলেন, ‘এত কাছের বন্ধু হঠাৎ চলে গেলে মনটা ভার হয়ে থাকে। আমি বুঝতেই পারছি না শোকটা সামলাব কী করে। ভীষণ খারাপ দিন। খবরটা যখন পেয়েছি, বিশ্বাস করতে পারিনি। এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না। অনেক দিন সময় লাগবে বিষয়টি মেনে নিতে। বন্ধু হারানোর শোক তো ভোলার নয়।’
উল্লেখ্য, অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী ও নানা পাটেকর ‘সাগর-সঙ্গম’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন