প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মঙ্গলবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের পরপর দুটি হামলায় একজন নিহত হয়েছে এবং একটি অ্যাম্বুলেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লেবাননের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে তথ্য জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা উদ্ধারকর্মীদের ওপর ‘অব্যাহত হামলার’ নিন্দা করছে। এটি ইসরাইলের সর্বশেষ হামলার ঘটনা, যদিও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর সঙ্গে চলমান যুদ্ধের বিরতি চলছে। বৈরুত থেকে এএফপি সংবাদ সংস্থা এ খবর জানিয়েছে।
ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর নাবাতিয়েহে একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, এর ফলে দু’জন আহত হয়েছে। পরে জানা যায়, আহতদের মধ্যে একজন মারা গেছেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, হামলার পর যখন হিজবুল্লাহ-সমর্থিত আমাল আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত রিসালা স্কাউটস অ্যাসোসিয়েশনের উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান, তখন ইসরাইলি সামরিক বাহিনী আবারো হামলা চালায়, যার ফলে অ্যাম্বুলেন্সটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, ‘উদ্ধারকারী দলের ওপর শত্রুপক্ষের অব্যাহত হামলার নিন্দা পুনর্ব্যক্ত করে মন্ত্রণালয়। এটি আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং সব আন্তর্জাতিক রীতিনীতির অগ্রহণযোগ্য লঙ্ঘন।’
এদিকে, লেবাননের সিভিল ডিফেন্স জানাচ্ছে, নাবাতিয়েহ এলাকাতে ঝোপঝাড়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করার সময় তাদের সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করা হয় ড্রোন হামলায়।
এই ঘটনায় কোনো সদস্য আহত হয়নি, তবে হামলার কারণে তাদের ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে হয়েছে।
ইরানের মিত্র হিজবুল্লাহ মার্চে ইসরাইলে রকেট হামলা চালিয়ে লেবাননকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলে। ওই হামলা ইরানের সমর্থনে পরিচালিত হয়।
এর জবাবে ইসরাইল ব্যাপক বিমান হামলা ও স্থল অভিযান শুরু করে, যা লেবাননের হিসাবে ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে।
জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং এর কিছুদিন পর লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে একটি কাঠামোগত চুক্তি হওয়ার ফলে সহিংসতা কিছুটা কমেছে। কিন্তু বৈরুত এখনও ইসরাইলের বিচ্ছিন্ন হামলা ও স্থাপনা ধ্বংসের খবর পাচ্ছে।
এনএনএ মঙ্গলবার আরও জানায়, দক্ষিণাঞ্চলে অন্তত একটি বিস্ফোরণ এবং গোলাবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
ইসরাইল-লেবানন চুক্তিতে হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণ, দক্ষিণ লেবানন থেকে ধীরে ধীরে ইসরাইলি সেনাদের প্রত্যাহার এবং ওই অঞ্চলে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয় রয়েছে। প্রাথমিকভাবে দুটি ‘পাইলট জোনে’ এসব কার্যক্রম শুরু করার কথা।
হিজবুল্লাহ চুক্তিটি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং অস্ত্র ত্যাগ করতে অস্বীকার করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন