প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিরোধীদল লংমার্চের মাধ্যমে বেহেশতের ঠিকানা খুঁজতে যাবে: গয়েশ্বর
রাজশাহী বিভাগের সম্মেলনে বক্তব্য প্রদান করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
বেহেশতে যাওয়ার জন্য টিকিট বিক্রি করা হয়েছিল। সেই বেহেশতের ঠিকানা কোথায়, তা খুঁজে বের করার জন্য বিরোধীদল লংমার্চ করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজশাহী জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জিয়া মঞ্চের রাজশাহী বিভাগীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।বিএনপির প্রতি আস্থা রাখা জনগণের উদ্দেশ্যে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, যেসব জনগণ বিএনপির প্রতি আস্থা রেখেছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ, ভুল করে অবিশ্বাস করবেন না। একটু সময় দিন। অর্থনৈতিক গতিশীলতা এবং দেশের সমস্যাগুলো সমাধানে প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই সফল হবেন।
লংমার্চের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বেহেশতে যাওয়ার জন্য যে টিকিট বিক্রি করা হয়েছিল, সেই বেহেশতের ঠিকানা কোথায়, সেটি খুঁজে বের করার জন্য বিরোধীদল লংমার্চ করবে।
দেশে নতুন ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা প্রকাশ করে গয়েশ্বর বলেন, ষড়যন্ত্র অদৃশ্যভাবে তৈরি হচ্ছে। যখন ষড়যন্ত্র দৃশ্যমান হবে, তখন বোঝা যাবে তারা কতটা শক্তিশালী। তার আগে বোঝা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর প্রকাশ্যে আসা ‘গুপ্তরা’ বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ দখল করেছে। তারা ছাত্রলীগের পদ গ্রহণ করেছিল। তবে তাদের কথাবার্তায় মনে হচ্ছে, বর্তমান সরকার তাদের দয়ার দান।
প্রশাসনের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রশাসনের মধ্যে আওয়ামী ভূত পেয়েছি। এই প্রশাসন পেশাদার হতে পারেনি। পেশাদারিত্বের অভাবে তাদের দ্বারা ভালো কাজ করানো কঠিন। অনেকেই আপা (শেখ হাসিনা) ফিরে আসবেন, সেই অপেক্ষায় রয়েছেন।’
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সাহস থাকলে হাসিনা ফিরে আসুক। আমরাও চাই তিনি ফিরে আসুক। জনগণ কী করতে চায়, সেটি তখনই বোঝা যাবে। তার আগে বোঝা যাবে না।’
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়েও কথা বলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ‘লাখ কোটি টাকা খরচ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেননি হাসিনা। এখনও এটি চালু করার মতো আপ টু ডেট হয়নি।’
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের হদিস করতে পারেনি। তবে কিছুদিন আগে দুটি নাম সামনে এসেছে। এর মধ্যে একজন একসময়ের প্রতাপশালী মেজর জেনারেল জিয়াউল হাসান এবং অন্যজন রোকেয়া প্রাচী। তদন্ত এগোলে হত্যাকাণ্ডের রহস্যের বিস্তারিত জানা যাবে।
তিনি অভিযোগ করেন, ওই হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন সরকারের অপকর্মের ডকুমেন্টারি উদ্ধার করে সরকারকে বিব্রত না করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি শেখ হাসিনাপ্রেমী সাংবাদিকরা নিহত রুনির বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়েছিলেন। এ কাজের সঙ্গে জড়িত একজন সাংবাদিক পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাও হয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন