প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ঘটনার ভিডিও ধারণ ও তা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রেমিকসহ তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৫ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের কাশীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কাশীপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের বিল্লাল মিয়া (২২), হারুন মিয়া (২৭) ও রুবেল মিয়া (২৬)। তাঁদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী তরুণী অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ১৯ বছর বয়সী ওই তরুণীর সঙ্গে বিল্লাল মিয়ার প্রায় এক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁকে ঈশ্বরগঞ্জ বাজারে আসতে বলেন বিল্লাল। পরে তাঁকে কেন্দুয়া নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিল্লাল তাঁকে উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের কাশীপুর গ্রামের ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন একটি স্থানে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন তাঁর দুই সহযোগী হারুন ও রুবেল। একপর্যায়ে তাঁরা তরুণীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় বিল্লাল মিয়া মুঠোফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
নির্যাতনের একপর্যায়ে তরুণী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগের চেষ্টা করেন। পরে অভিযুক্ত বিল্লাল তাঁর মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে সিম কার্ড ভেঙে ফেলেন বলে অভিযোগ করা হয়। এরপর বিল্লালও তাঁকে ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
ঘটনার কথা কাউকে জানালে কিংবা মামলা করলে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন ওই তরুণী। পরে রাতেই তাঁকে অটোরিকশায় তুলে দেওয়া হয়। সেখান থেকে কেন্দুয়া বাজারে নেমে তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন।
কেন্দুয়া থানার তদন্ত কর্মকর্তা সজল সরকার জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার বিষয়ে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন