প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় সংসদকে আধুনিক, গতিশীল ও পেপারবিহীনভাবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ‘ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ডিজিটাল এই কার্যপদ্ধতি কার্যকর হলে সংসদীয় নথি ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান-প্রদান আরও সহজ ও দ্রুততর হবে।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে স্পিকারের সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির সভাপতি ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, কমিটির সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ এবং এ বি এম মোশাররফ হোসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় সংসদের সার্বিক কার্যক্রমে গতিশীলতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি করতে প্রস্তাবিত এই সিস্টেমে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচার অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমে বাংলা ও ইংরেজি—উভয় ভাষার সংস্করণ উপলব্ধ থাকবে।
কাগজের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি এটি সময় এবং প্রশাসনিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে সাশ্রয় করবে।
এছাড়া, প্রশাসনিক ও সংসদীয় যাবতীয় নথি ফাইল ডিজিটাল মাধ্যমে স্থানান্তরিত হবে, যা তথ্য পরিচালনাকে সহজতর করবে।
ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ডেপুটি স্পিকারকে চেয়ারম্যান করে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার। এই কমিটি প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় কাঠামো পর্যালোচনা করবে।
এছাড়া, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে এই সিস্টেমের কার্যপদ্ধতি ও পরিকল্পনা নিয়ে স্পিকারের সামনে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ সময় উল্লেখ করা হয়, ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন বর্তমান সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে। এই ব্যবস্থা চালু হলে সংসদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং নথি ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালিত হবে। ফলে কাগজের ব্যবহার কমানোর পাশাপাশি সময় এবং প্রশাসনিক ব্যয় সাশ্রয় হবে এবং সংসদীয় কার্যক্রমে গতি, দক্ষতা ও সমন্বয় বৃদ্ধি পাবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও অন্যান্য সহযোগিতা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), দাতা দেশ এবং দাতা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পের পরবর্তী পর্যায়ে তাদের সহযোগিতা গ্রহণ করা হবে।
পেপারবিহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগোপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন