প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ক্রিকেট মাঠে ব্যাটে বল লেগেছে কিনা, তা নিয়ে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে অনেক সময় বিতর্ক সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি সেই বিতর্ক কমানোর চেষ্টা করলেও তা সম্পূর্ণভাবে সমাধান করতে পারেনি। এই পরিস্থিতিতে ক্রিকেটে নতুন প্রযুক্তি আসছে—সনিক।
ভারত ও নিউজিল্যান্ডের চলমান সিরিজে প্রথমবারের মতো এই প্রযুক্তিটি ব্যবহার করা হচ্ছে। শব্দ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যাটে বল লাগার বিষয়টি চিহ্নিত করতে তৃতীয় আম্পায়ারকে সহায়তা করবে সনিক।
নতুন এই প্রযুক্তিটি নিউজিল্যান্ডে তৈরি করা হয়েছে। এর পরীক্ষা ও কার্যকারিতা যাচাই ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে আলোচনা করে এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এ কাজে সহায়তা করেছে।
ভারত ও নিউজিল্যান্ডের টি টোয়েন্টি ম্যাচের পর পাঁচটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে, এই সিরিজেই প্রথমবারের মতো সনিক ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
কীভাবে কাজ করবে সনিক?
ব্যাটে বল লাগলে যে শব্দ উৎপন্ন হয়, তা বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য সংযোগ শনাক্ত করবে সনিক। বিশেষ করে বল ব্যাটে লেগে উইকেটকিপার বা ফিল্ডারের হাতে যাওয়ার আগে আম্পায়ারের চোখে ধরা না পড়লে, সিদ্ধান্ত পর্যালোচনায় প্রযুক্তিটি কার্যকর হবে।
ডিআরএসের মাধ্যমে কোনো সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার সময় সনিকের বিশ্লেষণ থেকে পাওয়া তথ্য তৃতীয় আম্পায়ার বিবেচনা করতে পারবেন। তবে প্রযুক্তিটি আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিকল্প নয়; বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাড়তি তথ্য দিয়ে তাকে সহায়তা করবে।
সনিক যুক্ত হচ্ছে ভার্চ্যুয়াল আইয়ের সরবরাহ করা ডিআরএস ব্যবস্থার সঙ্গে। বল ট্র্যাকিং প্রযুক্তির জন্য ২০০৮ সালে আইসিসির স্বীকৃতি পেয়েছে এই প্রতিষ্ঠান।
তবে আপাতত শুধুমাত্র ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজেই প্রযুক্তিটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে আইসিসি। ভবিষ্যতে অন্য সিরিজে সনিক ব্যবহার করতে নতুন করে আইসিসির অনুমোদন নিতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন