প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মালয়েশিয়া নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সীমান্তপারের ক্রমবর্ধমান অপরাধ, অনলাইন প্রতারণা, মানবপাচার, জাল নথি ও পরিচয় অপব্যবহার ঠেকানোর জন্য। এই উদ্দেশ্যে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ এবং যোগাযোগ ও মাল্টিমিডিয়া কমিশনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) পুত্রজায়ায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইলের উপস্থিতিতে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক সই হয়।
সমঝোতার মূল উদ্দেশ্য হলো সীমান্তপারের অপরাধ মোকাবিলায় দেশটির আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ ও অনলাইন প্রতারণার ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ ও দমনে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে।
সমঝোতার অধীনে, সীমান্তপারের অপরাধী কর্মকাণ্ড শনাক্ত ও বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি মানবপাচার, অভিবাসী পাচার, জাল নথি তৈরি ও ব্যবহার এবং পরিচয় চুরির মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সক্ষমতা জোরদার করা হবে।
মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধ ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। এ ধরনের অপরাধ দমনে তথ্য ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সমন্বিত ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন সহযোগিতা কাঠামোর মাধ্যমে অপরাধ শনাক্তকরণ ও দমনে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া, অনলাইন প্রতারণা, পরিচয় অপব্যবহার এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে পরিচালিত অন্যান্য অপরাধ থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টিও এই সহযোগিতার অন্যতম লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী ড. শামসুল আনুয়ার নাসারাহ, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব আবদুল হালিম হামজা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব আওয়াং আলিক জেমান, মালয়েশিয়ার যোগাযোগ ও মাল্টিমিডিয়া কমিশনের (এমসিএমসি) চেয়ারম্যান তান শ্রী মোহাম্মদ সালিম ফাতেহ দিন এবং দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নতুন এই সমঝোতার ফলে ইমিগ্রেশন ও ডিজিটাল যোগাযোগ খাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার হবে। এর মাধ্যমে সীমান্তপারের অপরাধের পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর প্রতারণা ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর নজরদারি ও ব্যবস্থা গ্রহণের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন