প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অন্যদিকে, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষক নিয়োগের প্রাথমিক আলোচনার রেজুলেশনটি কোনো ‘গুপ্ত মন্ত্রণালয়’ কাটছাঁট করে প্রকাশ করেছে। তিনি গুজব ছড়িয়ে যারা মিছিল করছেন তাদের প্রতি সতর্কবার্তা পাঠান।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে ‘সমৃদ্ধ অর্থনীতির বিনির্মাণে শিক্ষা: দক্ষতা, ভাষাগত সক্ষমতা ও বৈশ্বিক গতিশীলতা’ শীর্ষক সেমিনারে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষক নিয়োগ সম্পর্কিত গুজব ছড়ানোর অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এনটিআরসিএ’র কাছ থেকে ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি। গুজব ছড়ানো হয়েছে এবং এটি চিলে কান নেয়ার মতো। মূল বিষয়টি না জেনে সমালোচনা ও গুজব ছড়ানো হয়েছে এবং শিক্ষক নিয়োগের প্রাথমিক আলোচনার রেজুলেশনটি কাটছাঁট করে প্রকাশ করেছে কোনো গুপ্ত মন্ত্রণালয়।
এছাড়া, ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে, গত বছরের তুলনায় পাসের হার ৬ দশমিক ২ শতাংশ কম এবং জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা ২২ হাজার ৩৫৬ জন কম। এই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বিগত সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে রিভার্স গিয়ারে নিয়ে গেছে। বর্তমানে যে রেজাল্ট এসেছে, তা স্বচ্ছ। এসএসসির রেজাল্টের বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি আছে। অনেকে বলছেন, রেজাল্ট ড্রপ করেছে এবং এটি মিস ইনফরমেশন। জোর করে পাস কিংবা ফেল করানো সম্ভব নয়। এসএসসি রেজাল্ট প্রভাবিত করার জন্য বোর্ডের প্রতি সরকার কোনো চাপ প্রয়োগের মানসিকতা নেই। এছাড়াও, শতভাগ ফেল করা ৩১২টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ হবে। প্রয়োজনে পূর্বের মতো বন্ধ করে দেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী এ ছাড়াও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়ে বেশি কাজ করছেন। এনটিআরসিএ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে। তাই এটি নিয়ে গুজব ছড়িয়ে লাভ নেই। ভবিষ্যতে শিক্ষাব্যবস্থায় গবেষণায় সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন