প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ সফরকারী দল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে ৯ উইকেট হাতে নিয়ে ২৩০ রানে পিছিয়ে রয়েছে।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ১৪০ রানের জবাব দিতে পারে, অপরদিকে ইনোসেন্ট কাইয়ার সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ে সব উইকেট হারিয়ে ৪১০ রানে অলআউট হয়ে যায়। ফলে, প্রথম ইনিংস থেকে স্বাগতিকরা ২৭০ রানের লিড পায়।
বড় ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে বাংলাদেশ নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে এবং দিন শেষে ১ উইকেটে ৪০ রান করে।
হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টেস্টের প্রথম দিনেই বাংলাদেশ অলআউট হয়েছিল। দিন শেষে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ে ১ উইকেটে ১৩৬ রান সংগ্রহ করে। কাইয়া ৭৬ রান ও ব্রেন্ডন টেইলর ১৭ রান করে অপরাজিত ছিলেন।
দ্বিতীয় দিন বাংলাদেশ পেসার খালেদ আহমেদের বলে টেইলর ১৭ রানে উইকেটরক্ষক অমিত হাসানকে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।
এরপর দলে ১৪৩ রানে টেইলর ফেরার পর ব্রায়ান বেনেট ক্রিজে আসেন। তিনি তৃতীয় উইকেটে কাইয়ার সাথে ১০৭ রান যোগ করেন এবং ব্যক্তিগত ৫৯ রানে বাংলাদেশ স্পিনার তাইজুলের বলে ফিরতি ক্যাচ দেন।
বেনেটের সাথে জুটির মাধ্যমে টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় ম্যাচে প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন কাইয়া। ইনিংসকে বড় করার প্রচেষ্টায় দেড়শের কাছাকাছি গিয়ে তাইজুলের দ্বিতীয় শিকার হন কাইয়া। তিনি ২২৭ বল খেলে ১৭টি চারে ১৪০ রান করেন।
জিম্বাবুয়ের উইকেটরক্ষক টাফাডজাওয়া সিগা ১ রানে রান আউট হওয়ার পর ষষ্ঠ উইকেটে ক্রেইগ আরভিন ও ওয়েসলি মাধভেরে ১০২ রানের জুটি গড়ে জিম্বাবুয়ের লিড আড়াইশর কাছাকাছি নিয়ে যান।
৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ৬০ রান করা আরভিনকে তাইজুল শিকার করে বাংলাদেশকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন।
দলীয় ৩৮২ রানে ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে আরভিন ফেরার পর তাইজুলের ঘূর্ণিতে জিম্বাবুয়ে খুব বেশি দূর যেতে পারেনি। তবে মাধভেরের লড়াকু হাফ-সেঞ্চুরির কল্যাণে ৪শ রানের গণ্ডি পেরোতে সক্ষম হয়। শেষ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ে ৪১০ রানে থামে।
এই ইনিংসে বাংলাদেশের সফল বোলার তাইজুল। তিনি ৪০ দশমিক ২ ওভার বল করে ১৩৮ রানে ৭ উইকেট নেন। ৬০ ম্যাচের টেস্ট ক্যারিয়ারে ১৯তম ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ষষ্ঠবারের মতো ইনিংসে ৫ বা ততোধিক উইকেট নিলেন তিনি। তবে, জিম্বাবুয়ের মাঠে প্রথম টেস্ট খেলতে নেমেই ৫ উইকেটের দেখা পেলেন এই বাঁ-হাতি স্পিনার।
এছাড়াও, টেস্টে ১৯বার ইনিংসে ৫ বা ততোধিক উইকেট নিয়ে অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের রেকর্ড স্পর্শ করেন তাইজুল। সাকিব ৭১ টেস্টে ১৯বার ইনিংসে ৫ বা ততোধিক উইকেট নিয়েছেন।
২৭০ রানে পিছিয়ে থেকে বাংলাদেশ নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে। প্রথম উইকেট হারায় তারা ২২ রানের সূচনায়। ৯ রান করে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক ও পেসার রিচার্ড এনগারাভার শিকার হন সাদমান ইসলাম।
এরপর, দিনের বাকী ২৮ বল থেকে ১৮ রান তুলে অবিচ্ছিন্ন থেকে যান আরেক ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও মোমিনুল হক। জয় ২১ রান ও মোমিনুল ৯ রানে অপরাজিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন