প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ১ দশমিক ৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন প্রদান করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-২ শাখা গত ১৫ অক্টোবর এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে পূর্বে ২০২১ সালের ১১ মার্চ দেওয়া ৩ দশমিক ১৫৬৭ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন ‘পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার সদর উপজেলার রশিদনগর আরএইচডি-খুরুশকুল জিসি সড়ক, ভারুয়াখালী বাজার হয়ে যাওয়ার পথে ভারুয়াখালী খালের ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
সড়কটির ৪ হাজার ৭০০ মিটার চেইনেজে ৩৯২ মিটার দীর্ঘ প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট (পিসি) গার্ডার সেতুটি নির্মাণের কাজ চলছে। সেতুটির পরিচিতি নম্বর ৪২২২৪২০০৪। সেতুটির অ্যাপ্রোচ বা সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্দেশ্যে ২০২১ সালের ১১ মার্চ জারি করা আদেশে কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ও তেতৈয়া মৌজায় মোট ৩ দশমিক ১৫৬৭ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
তবে, নির্মাণাধীন সেতুর সংযোগ সড়কের জন্য জমি অধিগ্রহণের কার্যক্রম পরিচালনার সময় জমির দাগ ও পরিমাণ নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়।
এই কারণে, এলজিইডি ৩ দশমিক ১৫৬৭ একরের পরিবর্তে ১ দশমিক ৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানায়।
এ বিষয়ে এলজিইডি ২০২৬ সালের ২১ মে স্থানীয় সরকার বিভাগে একটি চিঠি পাঠায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আগের প্রশাসনিক আদেশ বাতিল করে নতুন জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব এ. বি. এম. আরিফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, কক্সবাজার সদর উপজেলায় সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য মোট ১ দশমিক ৮৯৪৭ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হলো।
এ-সংক্রান্ত আদেশের অনুলিপি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী, প্রকল্প পরিচালক এবং কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন