প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে অবৈধভাবে মজুদ করা ৪০৩ বস্তা ডিএপি সার উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জীবননগর পৌরসভার দত্তনগর রোডে মেসার্স শান্তনা এন্টারপ্রাইজে অভিযান পরিচালনা করে এসব সার জব্দ করা হয়। অভিযানের খবর পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানের মালিক পালিয়ে যান।
অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক আবুল কালাম আজাদ, যিনি জীবননগর উপজেলার কোর্টপাড়ার ফকির মুহাম্মদের ছেলে।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া সুলতানা এ্যানির নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা মেসার্স শান্তনা এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালান। এ সময় গুদামের তল্লাশি করে অবৈধভাবে মজুদকৃত ৪০৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে যে, প্রতিষ্ঠানটিতে সরকারি ডিএপি সার মজুদ ও বিক্রি করা হচ্ছিল, অথচ তাদের কাছে সার বিক্রির বৈধ লাইসেন্স ছিল না। জেলার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জব্দ করা সার বর্তমানে জীবননগর থানায় রাখা হয়েছে।
জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি মন্তব্য করেন, "নির্ধারিত নিয়মের বাইরে সার মজুদ, কালোবাজারি কিংবা নিয়মবহির্ভূতভাবে বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। সরকারি সার নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলগীর হোসেন জানান, জব্দ করা সার থানার হেফাজতে রয়েছে। সরকার বাদী হয়ে নিয়মিত আইনে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। জব্দ করা সারের বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন