প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাবনার চাটমোহরে ককটেল বিস্ফোরণ, সরকারবিরোধী স্লোগান এবং নাশকতার অভিযোগের ভিত্তিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৩১ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) চাটমোহর থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলাটি দায়ের করেন মূলগ্রাম ইউনিয়নের যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক পূর্বটিয়ারতলা গ্রামের মৃত মিয়াজান সরকারের ছেলে মো. মজর আলী (৪৯)।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার সময় মূলগ্রামের কায়েমখোলা মোড়ে আতার আলীর চায়ের দোকানে বসে ছিলেন মজর আলী। ঠিক সেই মুহূর্তে মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাসযোগে একদল ব্যক্তি সেখানে এসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানসহ সরকারবিরোধী বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে, এ বিষয়ে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
এজাহারে আরো বলা হয়েছে, বাদী এবং তার সঙ্গে থাকা লোকজন অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা করলে তাদের লক্ষ্য করে একের পর এক দুটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। এই ঘটনার ফলে তারা প্রাণনাশের আশঙ্কায় পড়ে গিয়ে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের আওয়াজ শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে আসলে অভিযুক্তরা মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাস নিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, খবর পেয়ে চাটমোহর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ককটেলের বিস্ফোরিত অংশ, চারটি বাজারের ব্যাগে রাখা আনুমানিক ৮ থেকে ১০ কেজি ইটের খোয়া এবং ১০ থেকে ১২টি বাঁশের লাঠি জব্দ করেছে।
মামলায় বেজপাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দিন, হরিপুর গ্রামের মকবুল হোসেন, নৈউতিগাছা গ্রামের সাহেব আলী মাস্টার, জগতলা গ্রামের শরিফুল্লাহ সাচ্চু, নারিকেলপাড়া গ্রামের ওয়াহেদুল ইসলাম বকুলসহ মোট ৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
চাটমোহর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলিউল রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান শুরু হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন