প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ধারাবাহিক পাল্টাপাল্টি হামলার অবসান ঘটানোর উদ্দেশ্যে তৎপর পাকিস্তান।
অনলাইন ডেস্ক থেকে প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশিত হয়েছে যে, ১৬ জুলাই, ২০২৬ এ সময়ের পর খবরের চিত্রের মধ্যে সংঘাতের তীব্রতা বাড়ছে। আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আরও तीভ্র হয়েছে। ইরানের বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্র রাতভর হামলা চালিয়েছে।
এর প্রতিক্রিয়ায়, প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে নতুন করে হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান। এই পরিস্থিতিতে, পাকিস্তান দুই পক্ষকে আবার আলোচনার টেবিলে ফেরানোর জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে।
ইরান জানিয়েছে, তারা জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এই পাল্টাপাল্টি হামলা সংঘাতের ষষ্ঠ দিনে ঘটেছে এবং এর ফলে গত মাসে যুদ্ধ বন্ধে হওয়া অন্তর্বর্তী সমঝোতা আরও দুর্বল হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) প্রতিবেদন প্রকাশ করে জানিয়েছে যে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য ইরানের হুমকি কমানোর উদ্দেশ্যে ৬ ঘণ্টাব্যাপী একাধিক হামলা চালানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি এই ঘোষণা দিয়েছেন, আলজাজিরা জানায়। তিনি বলেন, গত মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাস্তবায়নে নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও পাকিস্তান সব পক্ষকে সহিংসতা বন্ধ করতে 'কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা' পুনরায় শুরুর জন্য উৎসাহিত করবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, সমঝোতা স্মারকের বাস্তবায়ন বর্তমানে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে এবং 'তবুও পাকিস্তান সব পক্ষকে সহিংসতা বন্ধ করে আবারও আলোচনায় ফিরে আসার আহ্বান জানাতে থাকবে।'
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এর পরে গত এপ্রিল মাসে ইসলামাবাদে পাকিস্তানের উদ্যোগে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এটাই ছিল গত চার দশকের মধ্যে প্রথমবার, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা সরাসরি একই কক্ষে বসে আলোচনা করেন।
এরপর জুন মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতা হয়, যেখানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ অংশগ্রহণ করেন।
সুইজারল্যান্ডের বার্গেনস্টক সম্মেলনে ওই সমঝোতা নিয়ে আরও আলোচনা হয়। তবে সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে সেই সমঝোতা এখন গুরুতর চাপে পড়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন