প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শিক্ষা একটি স্থির বা স্থবির প্রক্রিয়া নয়; এটি একটি রূপান্তরকারী সামাজিক যাত্রা, যা ব্যক্তি, সমাজ এবং একটি দেশের সামগ্রিক সম্ভাবনাকে বিকশিত করে। শিক্ষকদের এই রূপান্তরের কেন্দ্রে অবস্থান রয়েছে। প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব শিক্ষক দিবস। এটি শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিক দিবস নয়; বরং শিক্ষকদের অবদান, মর্যাদা, অধিকার ও কর্মপরিবেশ নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।
১৯৬৬ সালে গৃহীত আইএলও-ইউনেসকোর ‘Recommendation concerning the Status of Teachers’ শিক্ষকদের অধিকার, দায়িত্ব, নিয়োগ, পেশাগত প্রস্তুতি, কর্মপরিবেশ ও মর্যাদা সম্পর্কে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নির্ধারণ করে। ১৯৯৭ সালে উচ্চশিক্ষার শিক্ষকদের মর্যাদা-সংক্রান্ত পৃথক সুপারিশও গৃহীত হয়। ১৯৯৪ সাল থেকে ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
২০২৬ সাল বিশ্ব শিক্ষক দিবসের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এ বছর ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক আইএলও-ইউনেসকো সুপারিশের ৬০তম বার্ষিকী। এবারের প্রতিপাদ্য—“Standing with teachers: 60 years of protecting the profession, advancing its status and shaping our futures”—অর্থাৎ শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো, ছয় দশক ধরে পেশাটিকে সুরক্ষা দেওয়া, এর মর্যাদা এগিয়ে নেওয়া এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণে শিক্ষকদের ভূমিকা শক্তিশালী করা।
ইউনেসকো বলছে, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা, অভিবাসন ও বাস্তুচ্যুতির মতো নতুন বাস্তবতা শিক্ষকতার পেশাকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি করেছে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের পেশাগত স্বায়ত্তশাসন, সামাজিক স্বীকৃতি, বেতন, কর্মপরিবেশ ও নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণের বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও বিশ্ব শিক্ষক দিবসের তাৎপর্য বহুমাত্রিক। স্বাধীনতার পর প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারিত হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, নারী শিক্ষকের অংশগ্রহণ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং বিভিন্ন স্তরে অবকাঠামো উন্নয়নের ফলে শিক্ষাব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। তবে একই সঙ্গে শিক্ষকসংকট, প্রশিক্ষণের মান ও ধারাবাহিকতা, কর্মপরিবেশ, পেশাগত মর্যাদা, বেতন-ভাতা, গবেষণার সুযোগ এবং দুর্গম অঞ্চলে শিক্ষক ধরে রাখার মতো বিষয়গুলো এখনো গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়।
এই বাস্তবতার মধ্যে ২০২৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার শিক্ষা খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণ করছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর সরকারের শিক্ষা-সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষতাভিত্তিক ও কর্মমুখী শিক্ষা সম্প্রসারণ, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।
৮ এপ্রিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী জানান, শিক্ষা খাতের ৪৩টি অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ধীরে ধীরে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। তিনি শিক্ষা ব্যবস্থাকে মানসম্মত, জীবনমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার কথা বলেন। জুলাই ২০২৬-এ তিনি আবারও জানান যে আগামী পাঁচ বছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং শিক্ষক দক্ষতা উন্নয়নেও বিনিয়োগ বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন।
শিক্ষার মানোন্নয়নের সঙ্গে শিক্ষক প্রশিক্ষণকে যুক্ত করার বিষয়টিও বর্তমান সরকারের কর্মসূচিতে গুরুত্ব পেয়েছে। ৭ জুন ২০২৬ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ১২ হাজার কলেজ শিক্ষককে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও কর্মমুখী শিক্ষা প্রদানের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়ার একটি জাতীয় কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ কর্মসূচিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, ডেটা সায়েন্স, সাইবার নিরাপত্তা, ডিজিটাল মার্কেটিং ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের মতো নতুন দক্ষতার সঙ্গে শিক্ষকদের পরিচিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাকে শুধু সনদ অর্জনের মাধ্যম হিসেবে না দেখে দক্ষতা, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করার ওপর জোর দিয়েছেন। জুন ২০২৬-এর এক বক্তব্যে তিনি চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশনের পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রচলিত শিক্ষাক্রম আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। এই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬-এর মূল বার্তারও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে শিক্ষার নতুন চাহিদা পূরণ করতে শিক্ষকদের প্রযুক্তিগত ও পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সহায়তার সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।
বাংলাদেশের শিক্ষকসমাজের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পেশাগত মর্যাদা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা। জুলাই ২০২৬-এ প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের বেতন ও মর্যাদা ধীরে ধীরে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানান এবং বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নের সঙ্গে ভালো বেতন ও প্রশিক্ষণের সম্পর্ক রয়েছে। তবে এসব পরিকল্পনার বাস্তবায়ন, আর্থিক সক্ষমতা, সময়সীমা এবং শিক্ষকসমাজের ওপর এর প্রকৃত প্রভাব ভবিষ্যতের বাস্তবায়ন অগ্রগতির মাধ্যমে মূল্যায়ন করা যাবে।
বেসরকারি শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও অবসরকালীন আর্থিক নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানের তালিকায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড এবং শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও কার্যকর, দ্রুত ও স্বচ্ছ করা গেলে দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে শিক্ষক ও কর্মচারীদের সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার হতে পারে।
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আঞ্চলিক বৈষম্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। চরাঞ্চল, হাওর, উপকূলীয় অঞ্চল, পার্বত্য এলাকা এবং অন্যান্য দুর্গম অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ ও ধরে রাখা তুলনামূলকভাবে কঠিন। এসব অঞ্চলে শিক্ষকসংকট দূর করার পাশাপাশি নিরাপদ আবাসন, যোগাযোগ, প্রযুক্তিগত সুবিধা এবং বিশেষ প্রণোদনার বিষয়গুলো বিবেচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন ও বাস্তুচ্যুতির প্রভাব মোকাবিলায় শিক্ষকদের ভূমিকা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
একবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষকের ভূমিকা শুধু পাঠ্যবইভিত্তিক জ্ঞান প্রদান পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের তথ্য যাচাই, সমালোচনামূলক চিন্তা, সৃজনশীলতা, ডিজিটাল সাক্ষরতা, নৈতিকতা এবং বাস্তব সমস্যার সমাধান করার সক্ষমতা গড়ে তুলতেও শিক্ষককে ভূমিকা রাখতে হচ্ছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত প্রসারের ফলে শিক্ষককে প্রযুক্তির বিকল্প হিসেবে নয়, বরং প্রযুক্তিকে শিক্ষার কার্যকর সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করতে সক্ষম হতে হবে। এ জন্য ধারাবাহিক পেশাগত উন্নয়ন বা সিপিডি-এর সুযোগ সম্প্রসারণ জরুরি।
উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও একইভাবে পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে শুধু ডিগ্রি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং গবেষণা, উদ্ভাবন, নীতি বিশ্লেষণ ও জ্ঞান সৃষ্টির কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তন, পানি ও খাদ্যনিরাপত্তা, নগরায়ণ, ভূ-রাজনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক অর্থনীতির মতো জটিল বিষয় মোকাবিলায় আন্তঃবিষয়ক গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক ও গবেষকদের পর্যাপ্ত গবেষণা অর্থায়ন, আধুনিক গবেষণা অবকাঠামো এবং একাডেমিক স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬ তাই বাংলাদেশের সামনে কয়েকটি সুস্পষ্ট অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে। প্রথমত, সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, শিক্ষকদের জন্য নিয়মিত ও যুগোপযোগী ধারাবাহিক পেশাগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, শিক্ষাক্রম ও শিক্ষা-নীতি প্রণয়নে মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞ শিক্ষক ও গবেষকদের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। চতুর্থত, দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কর্মরত শিক্ষকদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা, নিরাপদ আবাসন ও যোগাযোগ সুবিধা বিবেচনা করা দরকার। পঞ্চমত, শিক্ষক ও গবেষকদের উদ্ভাবনী কাজের জন্য প্রতিযোগিতামূলক গবেষণা অনুদান এবং প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
শিক্ষক সমাজ একটি দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। প্রকৌশলী, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, গবেষক, প্রশাসক, উদ্যোক্তা কিংবা শিল্পী—প্রত্যেক পেশাজীবীর জ্ঞান ও দক্ষতা গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো না কোনো শিক্ষক ভূমিকা রাখেন। তাই শিক্ষককে কেবল একটি পেশার সদস্য হিসেবে নয়, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করা দরকার।
বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬-এর ৬০তম বার্ষিকী আমাদের সেই আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও শিক্ষকতার পেশার মর্যাদা, পেশাগত অধিকার, কর্মপরিবেশ, প্রশিক্ষণ, গবেষণার সুযোগ এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে শিক্ষা সংস্কারের কেন্দ্রে রাখা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বর্তমান সরকারের ঘোষিত শিক্ষা-সংক্রান্ত পরিকল্পনাগুলোর মধ্যে শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তার বাস্তব ফলাফল নির্ভর করবে কার্যকর বাস্তবায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও ধারাবাহিকতার ওপর।
শিক্ষকের মর্যাদা রক্ষা কোনো একদিনের কর্মসূচি নয়; এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় বিনিয়োগ। বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২৬-এর মূল বার্তাও তাই—শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো, তাঁদের পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষিত করা এবং পরিবর্তনশীল ভবিষ্যতের জন্য তাঁদের প্রস্তুত করা। শিক্ষকদের সমৃদ্ধি ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার মানোন্নয়নের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে; আর মানসম্মত শিক্ষা একটি দক্ষ, মানবিক, উদ্ভাবনী ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত হয়ে থাকবে।
লেখক: অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং চেয়ারম্যান, ফাউন্ডেশন ফর জিওইন্টেলিজেন্স পলিসি সাপোর্ট।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন