প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর শেরেবাংলানগরের পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠে নতুন বাংলাদেশ সচিবালয় স্থাপনের প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সরকারের নতুন পরিকল্পনা অনুসারে, ২০২৯ সালে নতুন স্থানে অফিস কার্যক্রম শুরু হবে। স্থপতি লুই আই কানের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, ৩১ একর জমির ওপর নির্মিত হবে নতুন সচিবালয়। পুরো প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে।
আজ রবিবার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি।
তিনি জানান, নকশা অনুযায়ী শেরেবাংলানগরের পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠের প্রায় ৩১.৫৮ একর জায়গায় মোট প্রায় ৩৩.১৬ লাখ বর্গফুট স্পেসসহ ৩টি বেজমেন্ট নির্মাণ করা হবে, যার মধ্যে ২০০টি ভূ-উপরিস্থ পার্কিংসহ ৩,৮০০টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। এতে মসজিদ, ৩৫০ জন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ২টি মাল্টিপারপাস হল, ১টি ক্যাফেটেরিয়া এবং ১টি ডাকঘর থাকবে। প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০ শতাংশ জায়গায় সবুজায়ন ও জলাধারের সংস্থান রাখা হয়েছে। বর্তমান সচিবালয় ১৭ একর জায়গার নির্মিত।
মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, লুই আই কানের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ঢাকার শেরেবাংলানগরের পুরনো বাণিজ্য মেলার মাঠ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থাপনের লক্ষ্যে স্থাপত্য অধিদপ্তর কর্তৃক ধারণাগত স্থাপত্য নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে।
সভায় মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সভায় বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাসসহ বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির পরিমাণ কমবে।
অধিকতর জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০’ প্রণয়ন করেছে। আগামী গ্রীষ্মের আগে ৩ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সরকার ইতিমধ্যে প্রণোদনা ঘোষণা করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন