প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েমের ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’ উদ্যোগের বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্বের মেয়াদ সমাপ্ত হয়েছে। তবে তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে নতুন ভূমিকায় কাজ করছেন। বর্তমানে মার্কিন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউয়ের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন কর্মকর্তা সিবিএস নিউজকে এই তথ্য জানিয়েছেন। ওই কর্মকর্তা জানান, নোয়েমের বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্বের মেয়াদ গত মাসে শেষ হয়েছে। তিনি এখন আর ওই পদে নেই। তবে তিনি ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’ উদ্যোগ-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো দেখভাল করছেন।
‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’ ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে গঠিত একটি উদ্যোগ। এই উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা, মাদক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোতে সমন্বয় বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে এটি।
গত মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগে নোয়েমের বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হয়। এরপরও তিনি উদ্যোগটি নিয়ে বিভিন্ন কূটনৈতিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
গত ২২ সেপ্টেম্বর ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়ার সঙ্গে বৈঠক করেন নোয়েম। ওই সময় ইকুয়েডর সরকার তাঁকে ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’-এর বিশেষ দূত হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়। এছাড়া ট্রাম্পের আয়োজনে জোটের নেতাদের একটি বৈঠকে অংশ নেন তিনি। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নোয়েমের কাজের প্রশংসা করেন। ট্রাম্প বলেন, “ক্রিস্টি নোয়েমকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনি সত্যিই দারুণ কাজ করেছেন।”
এর আগে গত মার্চে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর নোয়েমকে ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’-এর বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা এবং উপদেষ্টা কোরি লেভানডস্কির প্রভাব নিয়ে ক্রমবর্ধমান সমালোচনার কারণে তাঁকে ওই পদ থেকে সরানো হয়।
বিশেষ দূতের দায়িত্ব পাওয়ার পর মার্চ মাসেই লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের পাঁচটি দেশ সফর করেন নোয়েম। সফরের বেশিরভাগ সময় তিনি হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। সফরকালে বিভিন্ন ছবিতে লেভানডস্কিকে নোয়েমের সঙ্গে দেখা গেলেও পরে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, দপ্তরটিতে লেভানডস্কির কোনো আনুষ্ঠানিক পদ ছিল না।
বিশেষ দূত হিসেবে নোয়েমের প্রকাশ্য কার্যক্রম তুলনামূলকভাবে সীমিত ছিল। এর মধ্যে গত ২৫ মার্চ ইকুয়েডরের রাজধানী কিটোতে প্রেসিডেন্ট নোবোয়ার সঙ্গে বৈঠক, সেপ্টেম্বরে ওয়াশিংটনে ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার কূটনীতিকদের সঙ্গে আলোচনা এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার বিষয়গুলো উল্লেখযোগ্য। তথ্যসূত্র: সিবিএস নিউজ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন