প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হিমবাহ ধসে আকস্মিক বন্যার ফলে নেপাল ও তিব্বতে প্রাণহানি এবং নিখোঁজের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা অচেনা মরদেহ শনাক্তকরণের জন্য ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। দীর্ঘ সময় পানিতে ডুবে থাকার কারণে এবং পচন ধরার ফলে অনেক মরদেহের চেহারা দেখে শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
নেপাল পুলিশের কর্মকর্তারা নিখোঁজ ব্যক্তিদের বাবা-মা, সন্তান এবং অন্যান্য নিকট আত্মীয়দের রক্তের নমুনা দিতে আহ্বান জানিয়েছেন। বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে, তাদের বিদেশে থাকা স্বজনরাও নিজেদের দেশে ডিএনএ পরীক্ষা করিয়ে ফলাফল নেপাল পুলিশের কাছে পাঠানোর সুযোগ পাবেন। ইতোমধ্যে শত শত নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
সংগৃহীত নমুনাগুলি নেপাল পুলিশ ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি এবং নেপাল একাডেমি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে পাঠানো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পচন বা পানিতে দীর্ঘ সময় থাকার কারণে মরদেহ বিকৃত হয়ে গেলে চেহারা দেখে শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় রক্ত, নরম টিস্যু, হাড় এবং দাঁত থেকে ডিএনএ সংগ্রহ করা যেতে পারে। এমনকি শরীরের অধিকাংশ টিস্যু পচে গেলেও হাড় থেকে ডিএনএ পাওয়া সম্ভব।
নিখোঁজ ব্যক্তির ডিএনএ সরাসরি পাওয়া গেলে, যেমন তার ব্যবহৃত টুথব্রাশ বা হেয়ারব্রাশ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে মরদেহের ডিএনএর সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে বাবা-মা বা সন্তানের মতো নিকট আত্মীয়ের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মরদেহের ডিএনএ মিলিয়ে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
ডিএনএ পরীক্ষার পাশাপাশি আঙুলের ছাপ এবং দাঁতের তথ্যও মরদেহ শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই কাজে নেপালকে সহযোগিতা করছে ভারত ও চীন। ভারত ১৯ সদস্যের একটি ফরেনসিক দল পাঠিয়েছে। চীনও ডিএনএ শনাক্তকরণে বিশেষজ্ঞদের দ্বিতীয় দল পাঠিয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন