প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সূচনা হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে যাচ্ছে। ধাপে ধাপে এই নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল প্রকাশ করা হবে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, "স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ইসির কর্মপরিকল্পনা তৈরির কাজ দ্রুত এগোচ্ছে।" তিনি আরও জানান, চলতি মাসের মধ্যে এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
আনোয়ারুল ইসলাম সরকার উল্লেখ করেন, ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী আচরণবিধি চূড়ান্ত করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নতুন করে যুক্ত হওয়া কিছু বিধান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে। ইউপি নির্বাচনের ভোটের সময় নির্ধারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষা ও অন্যান্য পরীক্ষা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান এই নির্বাচন কমিশনার। নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাস শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়।
এই সময়ে বার্ষিক পরীক্ষা, বৃত্তি পরীক্ষা, টেস্ট ও প্রি-টেস্টসহ বিভিন্ন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, "ভোটকেন্দ্র হিসেবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার করা হয়।" পাশাপাশি প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা হিসেবেও শিক্ষকদের দায়িত্ব পালন করতে হয়। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা এবং নির্বাচন যাতে একই সময়ে না পড়ে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরীক্ষার সময় এড়িয়ে ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।তবে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এখনই নির্দিষ্ট দিনক্ষণ জানাতে চাননি। তিনি বলেন, "বিষয়টি নিয়ে কমিশন কাজ করছে এবং শিগগিরই বিস্তারিত জানানো হবে।" স্থানীয় সরকার নির্বাচন ইউনিয়ন পরিষদ দিয়ে শুরু করার নীতিগত সিদ্ধান্তের কথাও জানিয়েছেন তিনি। দেশের সব ইউনিয়নে একসঙ্গে ভোট না নিয়ে ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
এদিকে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে ইসি। নির্বাচনের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভোটকেন্দ্রগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বডি-ওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার বাড়ানো হবে।এছাড়া, নির্বাচনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে। কমিশন ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য (মিসইনফরমেশন) মোকাবিলায়ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন