প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে দুই দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে এফবিসিসিআই।
ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. ফজলুল হক এ গুরুত্বারোপ করেছেন বলে আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বুধবার বিকেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে তিনি চীনা উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও খুলনায় শিল্প স্থাপনের আহ্বান জানান। বাংলাদেশে চীনা ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের ব্যবসা পরিচালনায় এফবিসিসিআই’র পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।
মো. ফজলুল হক বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে এফবিসিসিআই, চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিআইটি) এবং চায়নিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএবি)-এর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক জোরদার ও সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও সহজ করতে ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে চীনা দূতাবাস আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি বাংলাদেশে বৈদ্যুতিক যান (ইভি), ফল ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং পর্যটন খাতে চীনা বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
বৈঠকে এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর এবং চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ চীনে প্রায় ৬৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে চীন থেকে প্রায় ১৮ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। ফলে দুই দেশের বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এই বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন এফবিসিসিআই’র প্রশাসক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন