প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আশুলিয়ার জামগড়ায় প্রীতি গ্রুপের কারখানা চত্বরে গ্যাস সিলিন্ডারবাহী কাভার্ড ভ্যান ও লরির বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর, অনুমোদনহীন পদ্ধতিতে গ্যাস পরিবহনকারী যানবাহনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় সিএনজি স্টেশনগুলো। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি একই সঙ্গে এ ধরনের যানবাহনে গ্যাস না দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সিএনজি অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক তানভীর রহমান এ বিষয়টি জানান। তিনি বাংলাদেশ সিএনজি অ্যাসোসিয়েশনের উত্তরা, আশুলিয়া, নবীনগর, বাইপাইল ও চন্দ্রা জোনের জোনাল সভাপতি এবং বাইপাইলে অবস্থিত টিএস সিএনজি রিফুয়েলিং অ্যান্ড কনভার্সন লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী।
তানভীর রহমান বলেন, "তিতাস আগে কাগজে-কলমে নিষেধ করলেও মৌখিকভাবে গ্যাস দিতে বলেছিল। কিন্তু কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় শেষ পর্যন্ত আমাদের ওপরই আসে। তাই আমরা আর এ ধরনের ঝুঁকির মধ্যে থাকতে চাই না।"
তিনি আরও বলেন, প্রীতি গ্রুপের ঘটনার পর আশুলিয়া অঞ্চলের তিতাস কার্যালয় থেকে সিএনজি স্টেশনগুলোকে পুনরায় চিঠি দিয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, অনুমতিহীন সিলিন্ডারবাহী যানবাহনে গ্যাস সরবরাহ না করা হয়।
তিতাস গ্যাসের আশুলিয়া জোনাল বিক্রয় অফিসের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আবু ছালেহ মুহাম্মদ খাদেমুদ্দীন জানান, "আমরা আগেও তাদের সতর্ক করেছি, এখনো করছি। প্রীতির ঘটনার পর আবারও সিএনজি স্টেশনগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর ব্যত্যয় হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, "সিএনজি স্টেশনগুলো মনিটরিংয়ের দায়িত্ব মূলত তিতাস ও বিস্ফোরক অধিদপ্তরের। এসব দপ্তর প্রশাসনিক সহযোগিতা চাইলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন