প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকার নবাবগঞ্জে একটি তরলপানীয়বাহী নসিমন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে দুজনের মৃত্যু ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন নসিমনের চালক সাকিব (২০) এবং বিক্রয় প্রতিনিধি সুমন দত্ত। ঘটনাস্থলে সাকিব নসিমনের নিচে চাপা পড়ে মারা যান। গুরুতর আহত সুমন দত্তকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পর রাতে তার মৃত্যু ঘটে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ঢাকা-বান্দুরা সড়কের পানালিয়া পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত সাকিব নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে। তিনি সাউন্ড সিস্টেম অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং আজই বদলি চালক হিসেবে নসিমনটি চালাতে এসেছিলেন। সুমন দত্ত যন্ত্রাইল ইউনিয়নের হরিষকুল এলাকায় বসবাস করতেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কোম্পানির তরলপানীয় নিয়ে নসিমনটি বান্দুরার দিকে যাচ্ছিল। পানালিয়া পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নসিমনের সামনে চলে আসে। মোটরসাইকেলটিকে এড়াতে গিয়ে নসিমনটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গেও নসিমনের সংঘর্ষ ঘটে।
দুর্ঘটনায় নসিমনের চালক সাকিব এবং বিক্রয় প্রতিনিধি সুমন দত্ত গাড়িটির নিচে চাপা পড়েন। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক সাকিবকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সুমন দত্তকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়, পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নুরুন্নবী দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার পর সাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হানিফ জানান, ঢাকায় চিকিৎসাধীন সুমন দত্তও মারা গেছেন। এর ফলে দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুজনে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন