প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদি শক্তি যখন তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে পালিয়ে যায়, তখন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন, "কোন প্রতিশোধ নয়, কোন প্রতিহিংসা নয়, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও- সব মানুষ এক, তোমরা সবার পাশে থাকো"। এই মন্তব্য করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
মন্ত্রী আরও জানান, সে সময় সংখ্যালঘু সনাতন ধর্মাবলম্বী, খৃষ্টান ও বৌদ্ধ ধর্মের মানুষের মধ্যে একটি স্বাভাবিক ভয় ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাঁরা চিন্তিত ছিলেন, "আমাদের কী আবার লুটপাটের শিকার হতে হবে? আমরা কী দেশে থাকতে পারবো? উৎসব পালন করতে পারবো?" এসব প্রশ্ন নিয়ে আতঙ্ক ছিল। এ পরিস্থিতিতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য আহ্বান জানিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
মাগুরার সাহদোহায় শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, "গত নির্বাচনে শত ভাগ হিন্দু সম্প্রদায় ভোট দিয়েছে বিএনপি’র প্রার্থীদের, এটা আমরা কেউ অস্বীকার করি না।" তিনি বলেন, এর ফলে আমাদের দায়বদ্ধতা অসীম। তিনি আরও বলেন, "আমরা দুইটা মসজিদ করলে একটা মন্দির করি। একটা গোরস্থান করলে একটা শ্মশান করি।" তিনি জানান, "আমরা নিয়মিত বরাদ্দ দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের কাছে হিন্দু মুসলমান কোন ভেদাভেদ নেই।"
এ সময় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরার জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বীর আহমেদ, পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আলী আহমেদ।
আলোচনা সভায় বক্তারা শ্রীকৃষ্ণের জীবনাদর্শ, মানবতা, শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের আহ্বান জানান।
এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন