প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মন্তব্য করেছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য সিটি করপোরেশনের একক উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। জনগণকে সম্পৃক্ত করে সম্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, "এডিস মশা দল-মত বা শ্রেণি-পেশা দেখে কামড়ায় না।" তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, চসিকের উদ্যোগে নগরীর ২২ নম্বর এনায়েত বাজার ওয়ার্ডে মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনার সময় তিনি এসব কথা বলেন। এ কর্মসূচির আওতায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, লার্ভিসাইড প্রয়োগ এবং এডাল্টিসাইড ছিটানোর পাশাপাশি নগরবাসীকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন করা হয়।
চসিকের মেয়র আরও জানান, "চসিকের পক্ষ থেকে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।" তিনি বলেন, "আমরা স্প্রে করছি, গণসচেতনতা বৃদ্ধি করছি, লিফলেট বিতরণ করছি এবং লার্ভিসাইড প্রয়োগ করছি।" সকালে লার্ভিসাইড এবং বিকেলে এডাল্টিসাইড স্প্রে করার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তবে তিনি সতর্ক করেন, জনগণ সচেতন না হলে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।
তিনি আরো বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, "জ্বর হলেই যে ডেঙ্গু হবে, বিষয়টি এমন নয়।" চিকুনগুনিয়া, টাইফয়েড, নিউমোনিয়া, প্রস্রাবের সংক্রমণসহ বিভিন্ন কারণে জ্বর হতে পারে। তবে তিনি পরামর্শ দেন, দুই-তিন দিন ধরে জ্বর অব্যাহত থাকলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো উচিত।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একার নয়। প্রধানমন্ত্রী, মেয়র কিংবা সিটি করপোরেশন এককভাবে এই সমস্যা সমাধান করতে পারবে না। নগরবাসীকে সম্পৃক্ত করেই এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। তিনি বলেন, দল-মত নির্বিশেষে সকলকে নিজ নিজ বাড়ি, কর্মস্থল ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন