প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজা উপত্যকায় শান্তি পুনঃপ্রতিস্থাপন এবং যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার জন্য নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরু করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার। রবিবার, মিসরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তিনি একটি বিরল বৈঠক অনুষ্ঠিত করেছেন। এই বৈঠকের পর, সোমবার তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন।
এই তৎপরতার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত ১৫ দফার রোডম্যাপের রক্ষা করা। এই পরিকল্পনার মধ্যে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনাদের ধাপে ধাপে প্রত্যাহারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কিন্তু গত সপ্তাহে, যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রস্তাবকে অভিযোগ করে নাকচ করে দেন নেতানিয়াহু। তার দাবি, হামাস সম্পূর্ণ নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত গাজার কোনো এলাকা ছাড়বে না ইসরায়েল। বর্তমানে গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ অঞ্চল ইসরায়েলি বাহিনী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
ইসরায়েলের এই কঠোর অবস্থানের বিরুদ্ধে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান এবং পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশ অভিযোগ জানিয়েছেন। তারা যৌথ বিবৃতিতে উল্লিখিত করেছেন যে, শান্তি প্রচেষ্টায় বাধার বিষয়ে প্রাথমিক দায় বর্তায় ইসরায়েলের। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও শান্তি বোর্ডের প্রতি অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে কেউ এই প্রক্রিয়ায় বাধা দিতে না পারে।
মিসরে হামাসের নেতা খলিল আল-হাইয়ার সঙ্গে কুশনারের মিটিংয়ে কাতার ও তুরস্কের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। হামাস নিশ্চিত করেছে যে, তারা আলোচনা করার জন্য প্রস্তুত, তবে ভারী অস্ত্র প্রত্যাহারের বিষয়টি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এছাড়া, পরিকল্পনা শুরু হওয়ার আগে ইসরায়েলি আক্রমণ পুরোপুরি বন্ধ করার দাবি করেছেন তারা।
সোমবার কুশনারের সঙ্গে বৈঠকে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার ও ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রধান নিকোলে ম্লাদেনভও অংশগ্রহণ করবেন। গাজার প্রায় ২০ লাখ মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ বর্তমানে এই শান্তি আলোচনা উপর নির্ভর করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন