প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এস্প্রিয়েলা রোববার দেশটির দীর্ঘকালীন সশস্ত্র সংঘাতের গুরুতর অপরাধের বিচার পরিচালনার জন্য গঠিত বিশেষ শান্তি ট্রাইব্যুনাল জেইপি-এর বিরুদ্ধে ‘প্রতিহিংসার নীতি’ অনুসরণের অভিযোগকে অস্বীকার করেছেন।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
বৃহস্পতিবার, সরকারের সমর্থক এক সিনেটর ট্রাইব্যুনালের জন্য বরাদ্দ রাষ্ট্রীয় বাজেট প্রায় ৩ কোটি ১০ লাখ ডলার কমানোর একটি বিল উত্থাপন করেন।
প্রেসিডেন্ট দে লা এস্প্রিয়েলা ওই প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
তিনি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন এবং পূর্বে অভিযোগ করেছেন যে ট্রাইব্যুনালটি বিদ্রোহীদের প্রতি অতিরিক্ত নমনীয় আচরণ করছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দে লা এস্প্রিয়েলা জানান, ‘জেইপের বিরুদ্ধে আমার কোনো প্রতিহিংসার নীতি নেই।’
জেইপি হলো ‘স্পেশাল জুরিসডিকশন ফর পিস’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। ২০১৬ সালে তৎকালীন বিদ্রোহী সংগঠন ফার্ক-এর সঙ্গে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তির আওতায় ট্রাইব্যুনালটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা আনা, ফলাফল নিশ্চিত করা ও রাষ্ট্রের সীমিত সম্পদ এমন একটি বিচারব্যবস্থায় বরাদ্দ করা আমার দায়িত্ব, যা সবার জন্য কাজ করে— এমন কোনো ট্রাইব্যুনালে নয়, যেটিকে দেশের একটি অংশ সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা হিসেবে মনে করে।’
প্রস্তাবিত বিলটি পাস হলে ট্রাইব্যুনালের বাজেট ২৩ কোটি ডলার থেকে কমিয়ে ১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার করা হবে। এতে যে অর্থ সাশ্রয় হবে, তা প্রচলিত বিচারব্যবস্থায় বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট আলেহান্দ্রো রামেল্লি শুক্রবার বাজেট কমানোর প্রস্তাবকে ‘অর্থনৈতিক শ্বাসরোধ’-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন।
গত বছর প্রথমবারের মতো রায় দেওয়া শুরু করে জেইপি। দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ট্রাইব্যুনালটি কারাদণ্ডের পরিবর্তে বিকল্প শাস্তি দিয়ে থাকে।
দেশটির কয়েক দশকের সংঘাতে কয়েক লাখ মানুষ নিহত হয়েছে।
একটি মামলায় ফার্কের কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে আট বছরের কমিউনিটি সার্ভিস বা জনসেবামূলক কাজে অংশ নেওয়ার শাস্তি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাদের চলাচলের ওপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
ওই নেতাদের বিরুদ্ধে ২১ হাজারের বেশি মানুষকে অপহরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল।
এ ছাড়া বেসামরিক নাগরিকদের গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনায় দায়ী অবসরপ্রাপ্ত ১২ জন সামরিক কর্মকর্তাকেও একই ধরনের শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন