প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রেক্ষাগৃহে টানা ৭৫ দিন প্রদর্শনের পর এবার দর্শকরা ঘরে বসেই উপভোগ করতে পারবেন জয়া আহসান অভিনীত সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিণী’। শুক্রবার থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ে সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। ফলে বাংলাদেশের দর্শকদের জন্যও এই আলোচিত সিনেমাটি দেখা সম্ভব হলো।
নির্মাতা কৌশিক গাঙ্গুলী পশ্চিমবঙ্গের প্রযোজনা সংস্থা সুরিন্দর ফিল্মসের একটি পোস্টার ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। পোস্টারটি তাঁর সর্বশেষ সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিণী’র। গত ১০ জুলাই মুক্তির পর সিনেমাটি ৭৫ দিন ধরে প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হয়েছে। প্রযোজনা সংস্থার মতে, এটি ‘ব্লকবাস্টার হিট’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
মুক্তির পর থেকেই ‘আজও অর্ধাঙ্গিণী’ দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছে। কৌশিক গাঙ্গুলীর পোস্টের নিচে সিনেমাটি নিয়ে অনেক দর্শক মন্তব্য করেছেন। অরিন্দম চ্যাটার্জি নামের এক দর্শক লিখেছেন, ‘কোনো সিনেমার পার্ট টু যে এত ভালো হতে পারে, আমার জীবনে সেটা প্রথমবার অভিজ্ঞতা হলো। অসাধারণ সিনেমা, প্রত্যেকেরই দেখা উচিত।’
‘অর্ধাঙ্গিণী’র সাফল্যের পর ‘আজও অর্ধাঙ্গিণী’র সাফল্য নিয়েও উচ্ছ্বসিত জয়া আহসান। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমার মনে হয় সিক্যুয়াল ভাগ্যটাই আমার বোধ হয় ভালো। কারণ “বিজয়া”, “বিসর্জন”-এর পর “অর্ধাঙ্গিণী” থেকে “আজও অর্ধাঙ্গিণী”...মজা করে বললাম আর কী। সত্যি বলতে ভালো গল্প হলে, ভালো কনটেন্ট হলে দর্শক দেখতে আসেন। আমরা যে বলি দর্শক হলে যায় না, সেটা কি ঠিক? প্রমাণ হচ্ছে “আজও অর্ধাঙ্গিণী”। যে প্রত্যেকটা লাইনে, প্রত্যেকটা সংলাপে মানুষ হাততালি দিচ্ছে, নিজেকে রিলেট করতে পারছে, আবেগপ্রবণ হচ্ছে...এটা দেখে আমি সত্যিই খুশি।’
সিনেমাটির সাফল্য নিয়ে অভিনেত্রী আরো বলেন, ‘আমি খুবই খুশি। কারণ, এমন একটি কাজ করতে পেরেছি, যেটা আসলে সমাজের মানুষের দৈনন্দিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে। মানুষ এখনো সিনেমাটি দেখছে, কথা বলছে; এটাই তো সবচেয়ে বড় পাওয়া, তাই না?’
এটি ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া কৌশিক গাঙ্গুলীর ‘অর্ধাঙ্গিণী’ সিনেমার সিক্যুয়াল। আগের কিস্তির মতো এই সিনেমাতেও প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়, জয়া আহসান, কৌশিক সেন ও অম্বরীশ ভট্টাচার্য।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন