প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক গতি তারকা শন টেইট, বাংলাদেশের সঙ্গে পথচলা শেষ করার কয়েক মাসের মধ্যে পুরোনো ঠিকানায় ফিরে যাচ্ছেন। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে তিনি একটি চুক্তিতে পৌঁছেছেন। টেইট পাকিস্তানের জাতীয় দলের বোলিং পরামর্শকের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।
পিসিবি সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের কোচিং স্টাফে একাধিক পরিবর্তন করেছে এবং বোলিং বিভাগকে শক্তিশালী করার জন্য টেইটকে বেছে নিয়েছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও সুপার সূত্রে জানিয়েছে, টেইটের নিয়োগ শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। আগামী সপ্তাহের শুরুতে পাকিস্তানে পৌঁছে তিনি দায়িত্ব বুঝে নেবেন।
পাকিস্তানের সঙ্গে টেইটের সম্পর্ক নতুন নয়। ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহাসিক পাকিস্তান সফরের আগে তিনি শাহিন আফ্রিদি ও হারিস রউফদের বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৩ সালের শুরু পর্যন্ত পাকিস্তানের পেসারদের নিয়ে কাজ করেছেন তিনি, যিনি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। তবে এবার তিনি পূর্ণকালীন কোচ হিসেবে নয়, বরং পরামর্শক হিসেবে ফিরে আসছেন।
বাংলাদেশে এক বছরের অধ্যায়
২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফাস্ট বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন টেইট। তার সঙ্গে চুক্তি ছিল ২০২৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু এ বছরের ৪ জুন তিনি হঠাৎ করে পদত্যাগ করেন।
বাংলাদেশের পেস আক্রমণে টেইটের সময়টা ছিল সফল। তার অধীনে তরুণ পেসাররা আত্মবিশ্বাস পেয়েছে এবং বাংলাদেশের পেস বোলিং ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়েছে। তার সময়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ২-০ টেস্ট সিরিজ জয়েও বাংলাদেশের পেসাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বিশেষ করে নাহিদ রানা টেইটের অধীনে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে মার্চে ওয়ানডেতে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হওয়ার পর নাহিদ প্রকাশ্যে টেইটের প্রশংসা করেছিলেন।
নাহিদ রানা বলেছিলেন, “সত্যি বলতে তিনি অসাধারণ একজন কোচ। কারণ তিনি শুধু কোচ হিসেবেই নন, আমাদের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে যান।”
কেন বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন টেইট
বাংলাদেশের দায়িত্ব ছাড়ার সময় টেইট জানিয়েছিলেন, তিনি পরিবারের জন্য আরো সময় দিতে চান। বছরজুড়ে তিন সংস্করণের ক্রিকেটে পূর্ণকালীন দায়িত্ব পালনের চাপ থেকেও সরে আসতে চেয়েছিলেন এই অস্ট্রেলিয়ান।
টেইট বলেছিলেন, “পূর্ণকালীন দায়িত্বে ১২ মাস কাজ করা আমার জন্য বাড়তি চাপ মনে হচ্ছিল। এখন একটু পেছনে সরে গিয়ে পরিবারকে কিছুটা সময় দিতে চাই।”
এবার পাকিস্তানে নতুন ভূমিকায়
বাংলাদেশ ছাড়ার সময় টেইটের পরিবারকে সময় দেওয়ার বিষয়টি সামনে আসায় পাকিস্তানে এবার তাকে পূর্ণকালীন বোলিং কোচের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে না। বরং তার জন্য পরামর্শক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। ফলে সারা বছর তিন সংস্করণের ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত থাকার চাপ তুলনামূলকভাবে কম থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন