প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও বাদ পড়া প্রার্থীদের সংখ্যা এখনো শতাধিক রয়েছে। তারা চাকরিতে যোগদানের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। তবে, কী কারণে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি। নিয়োগপত্র ইস্যুর দাবিতে বাদ পড়া এসব প্রার্থী আমরণ অনশনের ঘোষণা দিয়েছেন।
ঘোষণা অনুযায়ী, রবিবার (৪ অক্টোবর) সকাল থেকে রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে তারা আমরণ অনশনে বসবেন। তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, নিয়োগপত্র না পাওয়া পর্যন্ত এ অনশন চালিয়ে যাবেন।
নিয়োগপত্র না পাওয়াদের মধ্যে একজন হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মো. আবু তালহা। তিনি জানান, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশও পেয়েছিলেন। কিন্তু নিয়োগের শেষ ধাপে এসে গত ২৪ সেপ্টেম্বর ভেরিফিকেশনে বাদ পড়েন। পরে বাদ পড়াদের নিয়োগে গত ১ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় জারি করা আদেশে গাইবান্ধার আরো ছয়জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। তবে তালহা আবারও বাদ পড়েছেন। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ৯৫ জনের মধ্যে ৯৪ জন নিয়োগপত্র পেলেও একমাত্র তালহাই এখনো অপেক্ষায় রয়েছেন।
এদিকে, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কাজের পরিবেশ, দায়িত্ব ও কর্তব্যের সঙ্গে পরিচিত করানোর জন্য একটি প্রাথমিক পরিচিতিমূলক কর্মসূচি বা ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই প্রশিক্ষণ রবিবার শুরু হবে এবং আগামী ৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। নবনিযুক্ত শিক্ষকদের জন্য পাঁচদিনের এ প্রশিক্ষণ শেষে ১১ অক্টোবর পদায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন