প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আজ রোববার (১৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন। এটি তার প্রথমবারের মতো ঢাকার বাইরে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন হবে। এছাড়া তিনি তিন উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের মাসিক সম্মানি ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনসহ অনেক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। প্রধানমন্ত্রী সফরের জন্য কিশোরগঞ্জে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। সফরটি সফল করার উদ্দেশ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি।
প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় প্রতি সপ্তাহেই তিনি ঢাকার বাইরে সফর করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় রোববার সকালে কিশোরগঞ্জ সফরে যাচ্ছেন সরকারপ্রধান। এই প্রথমবারের মতো ঢাকার বাইরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন মিনি স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।
এদিন সকাল সাড়ে ১১টায় পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যানবাড়ি ঘাটে ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে। পরে তিনি জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
বিকেলবেলা শহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরতদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন সরকারপ্রধান।
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে স্থানীয় জনগণ উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছেন। তারা বলেছেন, 'খুব আনন্দিত। আমরা অপেক্ষা করছি কখন মাহেন্দ্রক্ষণ আসবে। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও যুগান্তকারী মুহূর্ত হবে। উন্নয়নের যেসব প্রকল্প আছে, সেগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হোক; এটাই আমাদের প্রত্যাশা।'
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, কিশোরগঞ্জের ছয়টি সংসদীয় আসনের উন্নয়ন পরিকল্পনা বর্তমান সরকার গ্রহণ করেছে। তাদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর এসব পরিকল্পনা আরও গতি পাবে ও ত্বরান্বিত হবে। প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা অনুযায়ী তাঁরা কাজ করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি। কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান বলেছেন, কিশোরগঞ্জের হাওর-বাঁওড় অঞ্চলে ব্যাপক মাছের চাষ হয়। বিশেষ করে মায়ামেশি অঞ্চলগুলোতে যারা মাছ চাষের সঙ্গে জড়িত, তাদের উৎসাহ দিতেই প্রধানমন্ত্রী আসছেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফর জেলা উন্নয়নের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদেরও উজ্জীবিত করবে বলে জনপ্রতিনিধিরা মনে করছেন। কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম বলেছেন, 'সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মূলত প্রধানমন্ত্রীর আগমন কৃষকদের উন্নয়নে ব্যাপক সহায়ক হবে।'
প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিভিন্ন ভেন্যু পরিদর্শন করে সার্বিক প্রস্তুতি তদারকি করছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম বলেছেন, 'জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সব স্তরের সরকারি কর্মকর্তা এবং আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরা মিলে কাজগুলো সম্পন্ন করছি, যাতে প্রধানমন্ত্রীর সফর সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়।'
কর্মসূচি শেষে রোববার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সড়ক পথে ঢাকায় ফিরবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন