প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে নতুন নেতৃত্বের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বা সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থতার কারণে ইউক্রেনীয়দের এমন একজন নেতা বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেন, যিনি আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকতে পারেন।
ট্রাম্পের বক্তব্যের মূল দিকগুলো :
রাশিয়ার তেল ও জ্বালানি স্থাপনায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলার বিরুদ্ধে ট্রাম্প অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এসব শোধনাগারে হামলার ফলে বিশ্বজুড়ে ডিজেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে, যা মার্কিন কৃষক ও সাধারণ ভোক্তাদের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
সম্প্রতি রুশ ডিজেলের ওপর থেকে কিছু মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়ে ট্রাম্প সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছেন। তিনি মস্কোকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে জেলেনস্কিকে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার জন্য দায়ী করেন।
যুদ্ধের অবসানে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থতার কারণে বিরক্তি প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, "আমি পরামর্শ দেব তারা যেন এমন একজন নতুন নেতা বেছে নেয় যিনি সমঝোতা করতে পারেন। তিনি (জেলেনস্কি) বহুবার চুক্তি করতে পারতেন, কিন্তু কোনো এক অজানা কারণে তিনি তা কখনই করেননি... আমার মনে হয় এখন ইউক্রেনের নতুন প্রেসিডেন্ট নেওয়ার সময় এসেছে।"
কিয়েভের প্রতিক্রিয়া
ট্রাম্পের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, দেশের নেতৃত্ব কে দেবেন তা নির্ধারণের একমাত্র অধিকার ইউক্রেনের জনগণের। তারা উল্লেখ করেছেন যে, প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির পেছনে দেশের মানুষের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। কিয়েভ একই সঙ্গে বলেছে, মস্কোর যুদ্ধ অর্থনীতি ও সামরিক সরবরাহ ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে রুশ জ্বালানি স্থাপনায় হামলা চালানো তাদের ন্যায্য ও কৌশলগত অধিকার।
সূত্র : সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন