প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, নগরীর ঐতিহাসিক মাদারবাড়ি বালুর মাঠে নির্মিত হবে ১৫ হাজার স্কয়ার ফুটের একটি দৃষ্টিনন্দন খেলার মাঠ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরীর মাদারবাড়ি বালুর মাঠ পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় বাসিন্দা ও নেতাদের উদ্দেশ্যে এই তথ্য তুলে ধরেন।
চসিক মেয়র উল্লেখ করেন, এখানে ১৫০ ফিট দৈর্ঘ্য ও ১০০ ফিট প্রস্থের একটি খেলার মাঠ নির্মাণ করা হবে, যা মোট ১৫ হাজার স্কয়ার ফিটের। এর সঙ্গে একটি রাস্তা এবং হাঁটার জন্য একটি দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, "যাতে একটি সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।" বৈধ প্লটধারীদের প্লটের জায়গা অপরিবর্তিত থাকবে এবং মাঠের জায়গা কাউকে দখল করতে দেওয়া হবে না। তিনি জানান, "আমার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৪১ ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ করে দেওয়া হবে।" এই লক্ষ্যে মাদারবাড়ির বালুর মাঠকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
মাদক, সন্ত্রাস এবং নৈরাজ্য দূর করতে মাঠের গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, "মাদারবাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো খেলার মাঠ নেই, ফলে এখানকার ছেলেরা খেলতে পারছে না।" তিনি আরও বলেন, "যদি আমরা যুব সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস থেকে দূরে রাখতে চাই, তাহলে মাঠের কোনো বিকল্প নেই।"
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, সারা দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ করার লক্ষ্য রয়েছে। তিনি চট্টগ্রামে ৪১ ওয়ার্ডে ৪১টি মাঠ করার পরিকল্পনা করেছেন। এই এলাকার সংসদ সদস্য ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে এবং তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, "চট্টগ্রামের উন্নয়নে যা প্রয়োজন ইনশাআল্লাহ করে দেবেন।" তিনি আরও বলেন, "যদি এই এলাকায় ফুটসাল বা ছোট পরিসরে খেলার মতো আরো কোনো খালি জায়গা থাকে, আমাদের জানান। আমরা সেটাও করে দেব।"
শাহাদাত হোসেন জানান, ইতোমধ্যে ১১টি মাঠের উন্নয়ন ও প্রস্তুতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হালিশহর এইচ ব্লক মাঠ, হালিশহর বহুরূপী মাঠ, ফিরোজশাহ মাঠ, হালিশহর এস ব্লক মাঠ (বি ব্লক সংলগ্ন) এবং হালিশহর বিডিআর মাঠ।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে হালিশহর শিশু পার্ক মাঠ, হাজী মোহাম্মদ মহসীন কলেজ মাঠ, বাকলিয়া স্টেডিয়াম ও বাকলিয়া স্কুল মাঠের উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। অন্যদিকে, আগ্রাবাদ জাম্বুরি মাঠের উন্নয়নকাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। নগরীর অন্যান্য ওয়ার্ডেও নতুন খেলার মাঠ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) প্রস্তুতসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন