প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করার পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন মিজানুর রহমান, যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে নির্ধারিত সাজা শেষ হওয়ার পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন। তার মুক্তির সময় জেলগেটে সেখানে উপস্থিত ছিলেন তার স্বজন ও কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী।
কারামুক্ত হওয়ার পর ফুটপাতের ব্যবসা এবং নিজের দোকান নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মিজানুর রহমান বলেছেন, ঢাকায় যদি ফুটপাতে একটি দোকান থাকে, তাহলে মিজানেরটাও থাকতে হইবো। তিনি তার এই দাবি তুলে ধরে বলেন, “এইটাই আমার চাওয়া। না হলে এই দেশে মানবতার কোনো দাম নাই।”
তিনি উল্লেখ করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ‘ভাইরাল’ পরিচিতিকে ব্যবহার করে তার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। তবে যেভাবে তার দোকানটি ভেঙে ফেলা হয়েছে, সেটি পুনরায় চালু করার জন্য অন্তত একটি জায়গা দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
এর আগে, ৯ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগারগাঁওয়ে কর্তৃপক্ষ নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থাপনার অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছিল।
এ সময় মিজানের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মিজানের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন এবং সে অনুযায়ী তিনি কারাগারে যান।
আগারগাঁওয়ের ফুটপাতে ছোট একটি ভাতের দোকান পরিচালনা করে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত হন। তার দোকানে মাত্র ১০০ টাকায় গরুর মাংসের সঙ্গে ভাত, আলু ও ডাল খাওয়ার সুযোগ থাকায় অল্প সময়ের মধ্যে এটি ব্যাপক আলোচনা তৈরি করে।
দোকানটির নাম ছিল 'নিজের হাতে লইয়া খাবেন, ১৪ বার নিয়ে খাবেন', যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘গরিবের বুফে’ নামেও পরিচিত হয়ে ওঠে।
দোকানে খাবার পরিবেশন ও খাওয়ার ব্যতিক্রমী পদ্ধতির বিভিন্ন ভিডিও বিকাশ লাভ করে এবং মিজানুর রহমান ‘ভাইরাল মিজান’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন