প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সৌদি আরবের বেসামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোয় ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন।
তিনি এই হামলাগুলোকে ‘কাপুরুষোচিত’ এবং ‘বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ’ বলে উল্লেখ করে বলেন, এই ধরনের আক্রমণ শুধুমাত্র নিরীহ মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে না, বরং পুরো অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকেও বিপন্ন করে।
হামলার পর এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জানান, সৌদি আরবের বেসামরিক ও জ্বালানি স্থাপনায় হুতিদের দ্বারা চালানো কাপুরুষোচিত হামলার তিনি ‘সর্বোচ্চ কঠোর ভাষায়’ নিন্দা জানাচ্ছেন।
শেহবাজ শরিফ বলেন, “পাকিস্তান সৌদি বাদশাহ, তার ক্রাউন প্রিন্স এবং ভ্রাতৃপ্রতিম সৌদি জনগণের পাশে রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, এই ধরনের ‘বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ হামলা’ নিরীহ মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলার পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্যও গুরুতর হুমকি তৈরি করছে।
বিবৃতিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি ইসলামাবাদের ‘অটল সমর্থন’ পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, “আমরা রাজ্যের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি আমাদের অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছি।”
সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ক বিদ্যমান। সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেও রিয়াদের নিরাপত্তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে আসছে ইসলামাবাদ। এ কারণে সৌদি ভূখণ্ডে হুতিদের হামলার ঘটনায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর এই কঠোর অবস্থান দুই দেশের ঘনিষ্ঠ কৌশলগত সম্পর্কেরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।
হুতিরা দীর্ঘদিন ধরে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সক্রিয় একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। আঞ্চলিক সংঘাতের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে তাদের হামলার ঘটনাও আন্তর্জাতিক উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
পাকিস্তানের পক্ষ থেকে দেওয়া এই বিবৃতিতে একই সঙ্গে সৌদি আরবের নিরাপত্তার প্রতি ইসলামাবাদের অঙ্গীকার এবং আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত না করার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।
সূত্র:
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন