প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) বেনামে বীমা পলিসি খোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। একই সঙ্গে, এক দিনের মধ্যে কোনো গ্রাহকের ১০ লাখ টাকা বা তার বেশি নগদ লেনদেন হলে সেই তথ্য সংস্থাটির কাছে প্রতিবেদন আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিএফআইইউ দেশের সকল বীমা কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে। অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ এবং বীমা খাতে আর্থিক অপরাধের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, সরকার নিষিদ্ধ ঘোষিত বা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের তালিকাভুক্ত কোনো সন্ত্রাসী, গোষ্ঠী বা তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যাতে বীমা ব্যবস্থার সুবিধা গ্রহণ করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। পাশাপাশি, জটিল, অস্বাভাবিক ও যৌক্তিক আর্থিক উদ্দেশ্যবিহীন বীমা পলিসির ওপর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত করতে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট, ছবি এবং ঠিকানা নির্ভরযোগ্য স্বাধীন উৎস থেকে যাচাই করতে হবে। এছাড়া গ্রাহকের পক্ষে অন্য কেউ পলিসি পরিচালনা করলে তার যথাযথ ক্ষমতা রয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে হবে।
এছাড়া নগদ লেনদেনের প্রতিবেদন (সিটিআর) জমা দেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট তথ্য ও নথিপত্র অন্তত পাঁচ বছর সংরক্ষণ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের নামে বীমা পলিসি খোলার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি অথবা ২০ শতাংশ বা তার বেশি শেয়ারের মালিককে মূল সুবিধাভোগী হিসেবে শনাক্ত করে তথ্য রাখতে হবে। বিদেশি বাণিজ্য-সংক্রান্ত বীমায় ঋণপত্র (এলসি), আমদানি-রপ্তানি চুক্তি ও জাহাজীকরণের নথিও ব্যাংকের রেকর্ডের সঙ্গে যাচাই করতে হবে।
সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিএফআইইউতে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিটি বীমা প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় পরিপালন ইউনিট গঠন করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন