প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
৪০ বছর বয়সের পর নারীদের শরীরে নানা স্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটে, যার মধ্যে হরমোনের তারতম্যও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই বয়সে শরীরকে সক্রিয় রাখতে, পেশির ক্ষয়রোধ করতে এবং মানসিক চাপ সামলাতে সকালের রুটিনে কিছু বিশেষ অভ্যাস যোগ করা প্রয়োজন। প্রথমত, সকালের নাশতায় পর্যাপ্ত প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরে পেশির পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই কমতে থাকে। তাই সকালের নাশতায় ডিম, ডাল, ছোলা, পনির, টোফু কিংবা দইয়ের মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখা অত্যন্ত জরুরি। প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের জন্য সকালের খাবারে প্রায় ২০-৩০ গ্রাম প্রোটিন থাকা পেশি ও হাড়ের সুরক্ষায় অত্যন্ত কার্যকরী।
বয়স ৪০ পেরোলে পেশির পরিমাণ ধীরে ধীরে কমতে থাকে, যার ফলে হরমোনের ক্ষরণ বদলে যেতে পারে। তাই সকালের রুটিনে এমন কিছু অভ্যাস রাখা প্রয়োজন, যা শরীরকে সক্রিয় রাখবে, পর্যাপ্ত পুষ্টি দেবে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে। মুম্বাইয়ের পুষ্টিবিদ শ্বেতা শাহ কয়েকটি অভ্যাসের কথা উল্লেখ করেছেন, যা ৪০ পেরোলে প্রতিটি নারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
৪০ পেরোলে যে কয়েকটি অভ্যাস পালন করা উচিত—
১. সকালে উঠে প্রথমে ভেজানো কিশমিশ ও মৌরি খাওয়া
সকালে উঠে ভিজিয়ে রাখা কালো কিশমিশের সঙ্গে মৌরি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে ৪০ পেরোলেই এই বিশেষ সংমিশ্রণ শরীরের জন্য আলাদা কোনও উপকার করবে— এমন নয়। কিশমিশ খেতে ভাল লাগলে সকালে খাওয়া যেতে পারে। এতে হজমের সমস্যা কমতে পারে। কিন্তু পাশাপাশি পর্যাপ্ত পুষ্টি, নিয়মিত শারীরচর্চা এবং ভাল ঘুমের গুরুত্ব অনেক বেশি।
২. সকালে প্রাতরাশে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখা উচিত
৪০-এর পর সকালের খাবারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে প্রোটিনকে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরে পেশির পরিমাণ স্বাভাবিকভাবে কমতে শুরু করে। পর্যাপ্ত প্রোটিন এই পেশি ধরে রাখতে সাহায্য করতে পারে। অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্কের ক্ষেত্রে সকালের খাবারে প্রায় ২০-৩০ গ্রাম প্রোটিন রাখা দরকার। তবে শরীরের গঠন, শারীরিক সক্রিয়তা এবং সারাদিনের মোট খাবারের উপর প্রয়োজনের পরিমাণ বদলে যায়। ডিম, মাছ, মাংস, ডাল, ছোলা, পনির, টোফু, দই বা অন্যান্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার দিয়ে সকালের খাবার তৈরি করা যায়।
৩. নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন করা ও ১৫-২০ মিনিট হাঁটা
ঘুম থেকে উঠে সরাসরি কাজে বসে যাওয়া কিংবা অফিসে বেরোনোর তাড়া থাকে? তার বদলে প্রতিদিন সকালে উঠে আগে ১৫-২০ মিনিট হাঁটা উচিত। অল্প সময়ের হাঁটাও শরীরকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে। খাওয়ার পর অল্প হাঁটার অভ্যাস রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির প্রবণতা কমিয়ে দেয়। সকালের রুটিনে শরীরের পাশাপাশি মনকেও সময় দেওয়া দরকার। ধীরে ও নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন