প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জ্বালানি সংকটের কারণ হিসেবে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, এটি বর্তমান সরকারের তৈরি কোনো সমস্যা নয়। বরং, পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমদানি-নির্ভর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নীতির ফলস্বরূপ এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে কুমিল্লা টাউনহলে ঢাকা-কুমিল্লা বিকল্প মহাসড়ক ও কোটবাড়ি এএইচকে স্যাটেলাইট সিটির ধারণাপত্র উপস্থাপনবিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, “চলমান আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি (ইরান-ফিলিস্তিন) হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহের যে চ্যালেঞ্জ, এটাও সংকটের অন্যতম কারণ। ফলে আমরা দেখতে পাচ্ছি জ্বালানি সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “সরকার গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা আমাদের দেশের গ্যাস উত্তোলন, ব্যাপকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানির মজুদ তৈরি করা এবং আমাদের নিজস্ব যে গ্যাস আছে সেগুলো কিভাবে ম্যানুয়ালি আনা যায়, এসব উৎপাদনে মধ্যম মেয়াদি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে আমরা এর সুফল পাব।”
জুনায়েদ সাকি আরো জানান, “একমাত্র যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এর কারণে আমাদের ৪০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হয়েছে। এতে একদিকে আর্থিক চাপ তৈরি করেছে, অন্যদিকে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ রাজনৈতিক নির্বাসনের পর বাংলাদেশে এসে ইউটার্ন করেছেন, এটা আমাদের একটা পরিকল্পনা আছে। একটানা অবৈধভাবে ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকে ফ্যাসিস্ট সরকার উন্নয়নকে সবচেয়ে বড় অস্ত্র করার চেষ্টা করেছে তাদের শাসনের বৈধতার জন্য। কিন্তু কী উন্নয়ন তারা করেছে? এমনই উন্নয়ন করেছে কুমিল্লাবাসী মহাসড়কের এপার থেকে ওইপারে যেতে পারে না।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে দীর্ঘ গণ-অভ্যুত্থানের পরে হাজারো শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এবং এখনো যারা শরীরে ক্ষত নিয়ে জীবনযাপন করছেন, তাদের প্রতি আমাদের যে ঋণ সেটি হচ্ছে গণতান্ত্রিকভাবে এবং সমস্ত উন্নয়নকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা।”
সেমিনারে মূল ধারনপত্র পাঠ করেন কুমিল্লা-৬ আসনের এমপি মনিরুল হক চৌধুরী।
তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওপর চাপ কমাতে বিকল্প আরেকটি মহাসড়ক অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রস্তাবিত মহাসড়কটি নির্মাণ হলে অবহেলিত কুমিল্লা উত্তরাঞ্চল ও কৃষি ও শিল্প বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আমিরুজ্জামান আমিরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন