প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কোরীয় উপদ্বীপের ভূরাজনীতি ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নিজেদের অবস্থান পুনরায় দৃঢ় করার লক্ষ্যে একটি অভূতপূর্ব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে যাচ্ছে বেইজিং। যদিও বিগত কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় কিছুটা একঘরে বা উপেক্ষিত অবস্থানে ছিল, তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক চতুর্থ শীর্ষ বৈঠক আয়োজনের জন্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। এই তথ্য সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের (SCMP) এক বিশেষ প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, বেইজিং এখন কোরীয় উপদ্বীপের শান্তিসংক্রান্ত আলোচনায় প্রধান কেন্দ্রীয় খেলোয়াড় (central player) হিসেবে আবির্ভূত হতে চায়। তবে মধ্যস্থতায় প্রবেশ করার আগে, ওয়াশিংটনের কৌশলগত লক্ষ্য ও প্রতিশ্রুতির বিষয়ে সম্পূর্ণ স্পষ্টতা চেয়েছে শি জিনপিংয়ের প্রশাসন। চীনের শীর্ষ কূটনৈতিক মহল মনে করে, মার্কিন প্রশাসনের কোনো নির্দিষ্ট রোডম্যাপ ছাড়া কেবল রাজনৈতিক প্রচারণামূলক বৈঠক স্থায়ী শান্তি আনতে সক্ষম হবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম এবং দুই কোরিয়ার অসামরিক এলাকায় (DMZ) কিম জং উনের সঙ্গে যে তিনটি ঐতিহাসিক বৈঠক করেছিলেন, সেই সময় বেইজিং কিছুটা পার্শ্বচরিত্রে পরিণত হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং মার্কিন-চীন বাণিজ্য কৌশলের নতুন বিন্যাসের প্রেক্ষাপটে চীন বিশ্বমঞ্চে নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করতে চায়। ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে দীর্ঘদিনের অচলবস্থা কাটাতে এবং ওই অঞ্চলে পরমাণু ঝুঁকি হ্রাসে চীন এখন কার্যকরী সেতু হিসেবে কাজ করতে পারে।
আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ওয়াশিংটন যদি তাদের কৌশলগত উদ্দেশ্য পরিষ্কার করে, তবে বেইজিং-এর এই মধ্যস্থতা এশিয়ার সার্বিক নিরাপত্তা এবং উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক সংকট নিরসনে একটি বড় ধরনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। সূত্র: এসসিএমপি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন