প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারত সফররত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিওকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর মুম্বাইয়ের ঐতিহাসিক তাজমহল প্যালেস হোটেলে নিয়ে যান। এ সময় জয়শঙ্কর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হোটেলটির নিরাপত্তা প্রধান সুনিল কুদিয়াদির পরিচয় করিয়ে দেন। উল্লেখ্য, সুনিল ২০০৮ সালের ভয়াবহ ‘তাজ হোটেল’ সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনরা এটিকে ‘পাকিস্তানের মদদপুষ্ট’ সন্ত্রাসবাদের বাস্তব রূপ তুলে ধরার এবং ওয়াশিংটনকে এক ধরনের ‘আয়না দেখানোর’ শক্তিশালী বার্তা হিসেবে দেখছেন।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই পদক্ষেপকে একটি ‘মাস্টারস্ট্রোক’ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের সঙ্গে ইসলামাবাদের সাম্প্রতিক ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক যোগাযোগের পটভূমিতে ঘটেছে।
সফরকালে রুবিও ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পাকিস্তান নীতির পক্ষে সাফাই গেয়ে মন্তব্য করেন, পাকিস্তানের পারমাণবিক সক্ষমতা ও ভৌগোলিক গুরুত্বের কারণে তাদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ছিল, ইসলামাবাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে ভারতের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপ বা আচরণ থেকে পাকিস্তানকে নিবৃত্ত করা সহজ হবে।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রুবিও বলেন, ‘তাজমহল প্যালেস হোটেলে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ছয়জন মার্কিন নাগরিকসহ নিহতদের সম্মান জানাতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছি। আমরা নিহতদের স্মরণ করি, যারা এর মোকাবেলা করেছিলেন তাদের সাহসিকতাকে সম্মান জানাই। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত-মার্কিন যৌথ প্রতিশ্রুতি ও আমাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারিকে পুনর্ব্যক্ত করছি।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন