প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের হেবরনে ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদে ঢুকে পড়েছে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারীরা। এ তথ্য কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা স্থানীয় সূত্র ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের বরাতে জানিয়েছে।
ঘটনার সময় মসজিদটি ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের জন্য বন্ধ রেখেছিল ইসরাইলি বাহিনী। টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ফিলিস্তিনিদের মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। একই সঙ্গে, মসজিদটির চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করে ইসরাইলি বাহিনী।
হেবরনের পুরোনো শহরে অবস্থিত ইব্রাহিমি মসজিদ মুসলিম ও ইহুদি উভয় ধর্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান। ইহুদিরা এটিকে ‘কেভ অব দ্য প্যাট্রিয়ার্কস’ নামে অভিহিত করে। ১৯৯৭ সালের হেবরন চুক্তির পর শহরটি দুটি অংশে বিভক্ত হয়। এর মধ্যে মসজিদটি ইসরায়েলি নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রিত H2 এলাকায় পড়ে।
দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটি ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনি বিরোধের অন্যতম স্পর্শকাতর কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ১৯৯৪ সালে ইসরায়েলি-আমেরিকান বসতিস্থাপনকারী বারুচ গোল্ডস্টেইন মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ওপর গুলি চালিয়ে ২৯ জনকে হত্যা করেন। এর পর থেকে মসজিদটির ভেতর মুসলিম ও ইহুদি উপাসনার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হয়।
এদিকে, চলতি বছর পশ্চিম তীরে মসজিদ ও ধর্মীয় স্থাপনাকে ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় চলতি বছরে ইসরাইলি বসতিস্থাপনকারী ও বাহিনীর হাতে অন্তত ১৩টি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত বা পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে। একই প্রতিবেদনে ইব্রাহিমি মসজিদে আজান বন্ধের ১৫৫টি ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
সর্বশেষ এই ঘটনায় মসজিদে বসতিস্থাপনকারীদের প্রবেশ এবং ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নতুন করে হেবরনের ধর্মীয় স্থাপনাটির নিয়ন্ত্রণ ও প্রবেশাধিকার নিয়ে উত্তেজনা সামনে এনেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন