প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হামের টিকা কেনা হয়নি, এই খাতের বরাদ্দের অর্থ কোথায় ব্যয় করেছে অন্তর্বর্তী সরকার—এ বিষয়ে জানতে চেয়েছেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর কাছে এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চান।
এমপি মো. সেলিমুজ্জামান বলেন, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৯ মাসে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য কোনও পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সঠিক সময়ে হামের টিকা সংগ্রহ না করার কারণে দেশে অনেক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। অথচ অন্তবর্তীকালীন সরকার ২০২৪-২০২৫ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থ-বছরের বাজেট বরাদ্দের অধিকাংশ অর্থই ব্যয় করেছে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪-২০২৫ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ কত ছিল; সেই অর্থ কোথায় ব্যয় করা হয়েছে?
জবাবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ২০২৪-২০২৫ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিগত দুই অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের জন্য মোট বরাদ্দের পরিমাণ উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী জানান, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে এবং স্বাস্থ্যসেবা বজায় রাখতে মোট ৪১ হাজার ৪০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।
২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে জাতীয় উন্নয়নে স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্ব বিবেচনা করে বরাদ্দ বাড়িয়ে মোট ৪১ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। বরাদ্দকৃত অর্থের খাতভিত্তিক ব্যয়ের বিবরণে দেখা যায়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত অর্থ মূলত দুটি প্রধান খাতে ব্যয় করা হয়েছে।
পরিচালন খাতের মধ্যে রয়েছে চিকিৎসাকেন্দ্র ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা প্রদান।
সরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ করা হয়। চিকিৎসা অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রশাসনিক খরচও এই খাতে অন্তর্ভুক্ত।
উন্নয়ন খাতে নতুন হাসপাতাল ভবন ও বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র নির্মাণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়। আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংগ্রহের পাশাপাশি সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)-এর মাধ্যমে শিশুদের হাম, রুবেলাসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধক টিকার সংগ্রহ ও দেশব্যাপী বিতরণ করা হয়।
স্বাস্থ্য খাতের জনবলকে দক্ষ করতে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও উচ্চতর শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন