প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের কলকাতার নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে নিহতদের মধ্যে আরও দুই বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের দুজনের বাড়ি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে এলাকার খবর শোনার পর নিহতদের স্বজনরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতদের একজন আলিমুজ্জামান সাজু (৪৫)। তিনি কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মৃত ইউনুচ সরদারের ছেলে। পেশাতে তিনি ছিলেন ঘের ব্যবসায়ী। অপর নিহত ব্যক্তি একই উপজেলার বাসিন্দা রেবতী সরকার। তবে তার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
নিহত সাজুর নিকটাত্মীয় মোখলেছুর রহমান পল্টু জানিয়েছেন, কোমরব্যথার চিকিৎসা নিতে ৫-৬ দিন আগে সাজু ভারতে গিয়েছিলেন। বুধবার তার বাড়িতে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু বুধবার রাত ১০টার দিকে স্বজনরা খবর পান, হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ফলে তিনি নিহত হয়েছেন।
প্রতিবেশী হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেছেন, প্রায় ৭-৮ বছর আগে হজ পালন করে দেশে ফিরে সাজু জানিয়েছিলেন, তিনি আর বিয়ে করবেন না। এরপর থেকে তিনি অবিবাহিত জীবনযাপন করছিলেন। এলাকাবাসীর কাছে তিনি একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এক বছর আগে সাজুর মা মারা যান। তার আগে মারা গেছেন তার বাবা। চার ভাইয়ের মধ্যে সাজু ছিলেন সবার ছোট। তার মেঝো ভাই রাজু সরদারও মারা গেছেন। বর্তমানে বড় ভাই সাহেব সরদার ও সেঝো ভাই উজ্জ্বল সরদার জীবিত আছেন। সাজুর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের মাতম চলছে।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ঘটনাটি জানার পর নিহতদের পরিচয় এবং অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে কলকাতার ওই আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাত বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। জানা গেছে, হোটেলটিতে প্রায় ২৫ জন বাংলাদেশি অবস্থান করছিলেন। নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কুষ্টিয়ার একই পরিবারের চার সদস্য রয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন