প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজীপুর জেলার টঙ্গী রেলওয়ে জংশন এবং আশপাশের এলাকা, যেখানে র্যাব-১ একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে, সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ ১১ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে রাত পৌনে ১০টার মধ্যে, র্যাব-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিয়ামুল হালিম এবং সিপিসি-২-এর কোম্পানি কমান্ডার শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বড় সংখ্যক র্যাব সদস্য এই অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশের সদস্যরাও সহযোগিতা প্রদান করেন।
সাধারণত, অভিযানের সময় টঙ্গী রেলওয়ে জংশন এলাকার আশপাশে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, গাঁজা, মাদকদ্রব্যের ইনজেকশন এবং বিভিন্ন ধরনের মাদক উদ্ধার করা হয়, পাশাপাশি ১১ জনকে আটক করা হয়।
অভিযান শেষে, র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু হাসান ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করে আটক ব্যক্তিদের অপরাধের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।
এই বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন র্যাব-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিয়ামুল হালিম। তিনি বলেন, সরকারের ঘোষিত মাদকের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতির অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
অভিযানে অনেক ধরনের মাদকদ্রব্য এবং ১১ জনকে আটক করা হয়েছে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের সাজা প্রদান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন