প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আটক তিনজনের পরিচয় প্রকাশিত হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে সন্দেহভাজন হিসেবে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে রেজাউল করিম (৪২), সোহেল রানা (৩৩) এবং নাজমুস সাদ (৩৩) রয়েছেন।
আটক রেজাউল করিম নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বিলকাঠোর মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মৃত কফিরউদ্দিন প্রামানিক এবং তিনি বর্তমানে ঢাকার ফকিরাপুল এলাকায় বসবাস করছেন।
সোহেল রানার স্থায়ী ঠিকানা রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজার খুটিপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম মো. ইদ্রিস আলী। অন্যদিকে, নাজমুস সাদ গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কচাপাড়া গ্রামের নিজামুল হকের পুত্র।
প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে টিএসসি এলাকায় পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের পাশে, ভিসি চত্বর, নীলক্ষেত-সংলগ্ন মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের সামনে এবং শাহবাগ মোড়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এর মধ্যে নীলক্ষেত এলাকায় একটি, সিনেট ভবনের সামনে একটি, টিএসসিতে দুটি এবং শাহবাগ মোড়ে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টিএসসি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন দুই ব্যক্তি। মেট্রোরেল স্টেশন-সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পালানোর সময় উপস্থিত লোকজন তাদের আটক করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস বলেন, "নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে কর্মসূচি ঘোষণা করবে ছাত্রদল। সাধারণ মানুষ যেন নিশ্চিন্তে জীবনযাপন করতে পারে, সে জন্য ছাত্রদল সর্বদা সোচ্চার থাকবে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং জানান, ক্যাম্পাসের একাধিক স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের তথ্য তাদের কাছে এসেছে। টিএসসি এলাকা থেকে দুজন এবং জগন্নাথ হল এলাকা থেকে একজনকে আটক করা হয়েছে। কেউ গুরুতর আহত হননি। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনার বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন