প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পেরুর রাজধানী লিমার একটি নিম্ন আয়ের আবাসিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে।
এ বিষয়ে বুধবার দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা এ কথা জানায়, এবং অগ্নিকাণ্ডে দুটি বাড়ি পুড়ে গেছে।
বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা (ইনডেসি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানানো হয় যে, এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি লিমা থেকে এই খবর প্রদান করেছে।
মৃতদের স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা যায়, তাদের মধ্যে পাঁচজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং পাঁচজন শিশু রয়েছে।
পুলিশ প্রধান অস্কার আরিওলা নিশ্চিত করেন, মৃতদের মধ্যে একই পরিবারের নয়জন সদস্য রয়েছেন এবং তাদের মধ্যে পাঁচজন অপ্রাপ্তবয়স্ক।
তিনি সাংবাদিকদের জানান, অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত কোথায়, কী পরিস্থিতিতে এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তাও নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
পেরুর গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে, স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি করে আসা দুর্বৃত্তরাই এই আগুন লাগাতে পারে।
তদন্তের দায়িত্বে থাকা কর্নেল জন লুজান বলেন, পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানোর ঘটনা অথবা চাঁদাবাজির সঙ্গে এর সংশ্লিষ্টতার আশঙ্কাও তদন্তের过程中 খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বেঁচে যাওয়া গিনা ভিলচেজ সাংবাদিকদের জানান, তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে নিজের এবং সন্তানদের প্রাণ রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা মোট ১৭ জন ছিলাম। ১০ জন মারা গেছে। আর আমাদের মধ্যে সাতজন বেঁচে গিয়েছে।’
এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা আগুনে আটকে পড়াদের উদ্ধারের জন্য মরিয়া চেষ্টার ছবি ও ভিডিও সাংবাদিকদের দেখান।
পেরুর নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরি বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং এ মৃত্যুর ঘটনাকে ‘ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মানুষ শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা চায়। আগামী সপ্তাহে দায়িত্ব নিয়েই সেটিই হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন