প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাসায়নিক কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ব্যবহার না করে বর্ষাকালে বেগুন ও ঢ্যাঁড়শ চাষে আশাব্যঞ্জক সাফল্য অর্জন করেছেন দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) গবেষকেরা। এ গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে অধ্যাপক ড. মো. আজিজুল হকের নেতৃত্বে, যেখানে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স প্রকল্প।
এর আগে, আলু চাষে এই পদ্ধতির সফলতা দেখা গিয়েছিল। গবেষক দলের তথ্য অনুযায়ী, একই কৃষিজমিতে প্রায় চার বছরের অধিক সময় ধরে এই ব্যাকটেরিয়া প্রয়োগের ফলে মাটির নাইট্রোজেন ও ফসফরাসের পুষ্টিগত অবস্থার উন্নতি সাধিত হয়েছে। এর ফলে প্রচলিত চাষাবাদের তুলনায় ইউরিয়া ও টিএসপি সারের ব্যবহার কমানোর সম্ভাবনা উন্মোচিত হয়েছে। বিশেষ করে, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও মাটির উচ্চ আর্দ্রতার মধ্যে নিচু জমিতে চাষ করা বেগুন ও ঢ্যাঁড়শ গাছে কোনো ভাইরাসজনিত রোগ, ঢলে পড়া বা পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা যায়নি।
এ গবেষণার অংশ হিসেবে দেশে তরল জৈবসার উৎপাদনের জন্য একটি বিশেষায়িত যন্ত্র উদ্ভাবন করা হয়েছে।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, ‘সয়েল মাইক্রোবায়োম ইঞ্জিনিয়ারিং’ ধারণার এই প্রযুক্তি আমদানিনির্ভরতা ও রাসায়নিকের ব্যবহার কমিয়ে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে, দেশের বিভিন্ন স্থানে এর কার্যকারিতা ছড়িয়ে দিতে কৃষি মন্ত্রণালয়, বারি, বার্ক ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে একটি জাতীয় পরীক্ষামূলক কর্মসূচি গ্রহণের প্রস্তাব করেছেন তারা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন