প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিরিয়ার জনগণ ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজয় অর্জন করেছে, যা আগামী বহু বছর ধরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান। বুধবার, তুরস্কের ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একেপি) সংসদীয় দলের বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এরদোয়ান উল্লেখ করেন, সিরিয়ায় প্রায় ১৪ বছরের দমন-পীড়নের পর শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসতে শুরু করেছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইসরাইলের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড পরিস্থিতির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার নেতৃত্বে দেশটির জনগণ ঐক্য ও সংহতির ভিত্তিতে নিজেদের অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, উত্তর সিরিয়ায় একীভূতকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দেশটিতে সম্পূর্ণ নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। এ সময় তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সিরিয়ার প্রতি তুরস্কের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।
এরদোয়ান সিরিয়ায় সাবেক শাসনামলে রক্তপাতের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের বিষয়েও মন্তব্য করেন। তিনি আলি কায়ালি নামে পরিচিত মিহরাজ উরালকে উল্লেখ করেন। এরদোয়ান বলেন, সিরিয়ায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটছে, যা বিশেষ করে স্বৈরশাসক ও হত্যাকারীদের জন্য শিক্ষণীয় হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, “নিপীড়িত মানুষের আর্তনাদ কখনোই উপেক্ষিত থাকে না।”
গত সপ্তাহে সিরিয়ার সাধারণ গোয়েন্দা সংস্থা মিহরাজ উরালকে গ্রেপ্তার করে। তিনি ২০১৩ সালে বেনিয়াসে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে পরিচিত। সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় তাকে আটক করা হয়।
সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শাসনের অবসানের পর দেশটির রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরে সিরিয়ার বিরোধী শক্তিগুলোর প্রতি সমর্থন দিয়ে এসেছে। বর্তমানে আঙ্কারা সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার এবং দেশটির স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
তথ্যসূত্র: সানা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন